আদিবাসীদের জাদুঘরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ঐতিহ্য খুঁজে বেড়ানো একটি বিকেল

চট্টগ্রামের অক্সিজেন থেকে রাঙামাটির অনেক বাস ছাড়ে। টিপটিপ বৃষ্টি আর কাদা মাড়িয়ে স্ট্যান্ডিং যে বাসটা সামনে পেয়েছি, উঠে পড়েছি। ৯৫ টাকা করে ভাড়া।

পরে বুঝেছি, ওটা লোকাল বাস ছিল। চট্টগ্রাম ছেড়ে রাঙামাটি ঢোকার পর প্রায় প্রত্যেকটা বাসস্ট্যান্ডে থামিয়ে যাত্রী নামিয়েছে, তুলেছে। তাতে অবশ্য আমাদের জন্য ভালোই হয়েছে। ভালোভাবে দেখতে দেখতে যেতে পেরেছি। আপনারও ভালো লাগবে সেই গ্যারান্টি দিতে পারি।

কারণ রাঙামাটি আপনাকে বরণ করবে অদ্ভুত সুন্দর এক পথ দিয়ে। বৃষ্টিভেজা আঁকাবাঁকা পিচঢালা রাস্তা, দুইধারে প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে আছে সারবাঁধা বৃক্ষাগ্র। এই জায়গাটায় এসে জানালা দিয়ে পাশে না তাকিয়ে সোজাসুজি সামনে তাকাতে সাজেশন দেব।

খুমি। সোর্স: এবি নিউজ ২৪.  কম

একটু পরেই রাঙ্গুনিয়া। প্রায় শুকনো একটা নদীর উপরে ব্রিজ, কেন যেন বাসটা ব্রিজের উপরেই দাঁড়িয়ে পড়ল। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি মৃতপ্রায় নদীটি অদ্ভুত সুন্দর দেখাচ্ছে। নিচে নামতে ইচ্ছে করছিল। বর্ষায় নিশ্চয়ই এই নদীটাই পানিতে টইটুম্বুর হয়ে থাকে! শিহানকে বললাম, ‘ফেরার পথেও লোকাল বাসে চড়ে এখানে আসবো। নিচে নামবো। আমার খুব ইচ্ছে করছে শুকনো নদীর বুকে দাঁড়াতে।’ ছবি তোলার আগেই বাস ছেড়ে দিলো। ঘাড় ঘুরিয়ে নামটা দেখে নিলাম “রানীর হাট সেতু”।

কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত রাঙামাটির পুরোটাই পাহাড়ি এলাকা। রাস্তাগুলোতেও চড়াই উৎরাই থাকায় এখানে কোনো রিকশা নেই। রিকশা থাকলেও চালাতে জান বেরিয়ে যেত! শহরের মধ্যে বাস ছাড়া চলাচলের মাধ্যম হলো সিএনজি।

ফরেস্ট গেইটের দিকে যেতে যেতে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তার পাশে তাকালে দেখতে পাবেন, আপনার রাস্তা থেকে অনেকটা নিচে সবুজের চাদর ভেদ করে দেখা যাচ্ছে চৌচালা, দোচালা ঘর, মন্দিরশীর্ষ, এমনকি বেশ বড়সড় স্কুলের ক্যাম্পাস। পাহাড় কেটে বানানো রাস্তার পাশের গিরিখাতের দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই। যেমনটা আমাকে করেছে।

পালি ভাষা। সোর্স: সামহোয়্যার ইন ব্লগ

শহরের মধ্যে ঢোকার পর থেকেই আমার নজর ছিল রাস্তার ধারের হোটেলগুলোর দিকে। একটু ভালো টাইপ হোটেল দেখলেই বাস থেকে নেমে পড়ব, এমনটাই ইচ্ছে। তারপর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড তথা দোয়েল চত্বরে নেমে পড়লাম। এখানটায় দুটো হোটেল দেখেছিলাম। বাইরে থেকে দেখে মনে হলো হোটেল প্রিন্সটা ভালো। গিয়ে রুম দেখতে চাইলাম। দুইটা রুম দেখালো। একটা সাত’শ, অন্যটা বারো’শ।

প্রথম রুমটা একদম বাজে একটা জায়গায়। আশেপাশে চারটে রুম আছে, মনে হচ্ছিল একটা ঘিঞ্জি বস্তি। ভেতরের অবস্থাও খারাপ। পরের রুমটা ভালো, ভালো মানে বেশ ভালো। বারান্দা দিয়ে কাপ্তাই লেকের একটা অংশ দেখা যায়। দামাদামি করে এই রুমটাই নিলাম ১,০০০ টাকা দিয়ে। রুমে গিয়ে ফ্রেশ হতে হতে সোয়া তিনটা বেজে গেল। আমরা চট্টগ্রাম থেকে বেরই হয়েছি দেরি করে। রাঙামাটি পৌঁছাতে সময় লেগেছে আড়াই ঘণ্টা।

আজকের দিনে ঘোরার জন্য খুব একটা সময় নেই। হোটেলের রিসিপশনিস্টকে জিজ্ঞেস করলাম, কাছাকাছি কোথায় যাওয়া যায়। সে বলল, ‘রাঙামাটির জায়গাগুলো দিনে দিনে ঘুরে আসাই বেটার। আর পানির এরিয়া তো, নৌকা রিজার্ভ করে গেলে, ভালো হয়।’

জিজ্ঞেস করলাম, ‘স্থল পথে যাওয়ার মতো কোনো জায়গা নেই? আজকে যেটুকু সময় আছে, ওই সময়ের মধ্যে?’

বলল, ‘কাছাকাছি ঝুলন্ত ব্রিজ আছে। সিএনজি রিজার্ভ করে নিয়ে যেতে পারেন। রিজার্ভ ১২০ টাকা নেবে।’

বের হতেই এক লোক এসে বললো, ‘নৌকা রিজার্ভ করলে রাঙামাটির যত জায়গা আছে, সব দেখিয়ে আনব। সারাদিনের জন্য রিজার্ভ নিতে পারেন।’

একটা কার্ড ধরিয়ে দিলো। ওতে আটটা জায়গার নাম লেখা আছে। ঝুলন্ত সেতু, সুবলং ঝর্ণা, জেলা প্রশাসক বাংলো, পেদা টিং টিং, জুমঘর, টুকটুক ইকো ভিলেজ, রাজবন বিহার, ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ি।

ভাবলাম, নৌকা যদি আগামীকাল রিজার্ভ করি, ঝুলন্ত ব্রিজ আজকে আর যাওয়ার দরকার নেই। নৌকার মহাজনের সাথে কথা বলতে বলতেই একজন সিএনজিওয়ালা এসে দাঁড়িয়ে বলল, ‘কোথায় যাবেন, বলেন।’

জিজ্ঞেস করলাম, ‘কাছাকাছি যাওয়ার মতো অন্য কোনো জায়গা আছে?’

বলল, ‘কাছাকাছিতে আদিবাসীদের জাদুঘরটা দেখতে পারেন। ভাড়া ১২০।’

দামাদামি করার চেষ্টা করলাম। বলে, ‘এটা রেট করা ভাড়া। আপনি আরো কয়েকটা সিএনজি ডেকে জিজ্ঞেস করে নিতে পারেন।’

ভাবলাম, হোটেলের রিসিপশনস্টও তো রিজার্ভ সিএনজির ভাড়া ১২০ বলেছিল। উঠে পড়ি।

উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট জাদুঘর রাঙ্গামাটি শহরের প্রবেশ মুখের কাছেই অবস্থিত। ১৯৭৮ সালে স্থাপিত এই জাদুঘরটি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট পরিচালনা করে।

আদিবাসীদের জাদুঘরের বাইরেই দাঁড়িয়ে আছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের প্রতিকৃতি। সোর্স: শিহান

বিভিন্ন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর ব্যবহার করা ঐতিহ্যবাহী গয়না, পোশাক, বাসনপত্র, অস্ত্রশস্ত্র, ছবি, চিত্রকলা, ভাস্কর্য, প্রাচীন মুদ্রা, সঙ্গীতের জন্য ব্যবহার করা যন্ত্রপাতি এখানে প্রদর্শন করা হয়।

এখানে রয়েছে রাঙ্গামাটিসহ পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত আদিবাসীদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সময়ের নানা সরঞ্জামাদি, পোশাক, জীবনাচরণ এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্য।

ত্রিপুরা।  সোর্স: ওয়ার্ড প্রেস.কম

সিএনজি যে পথে যাচ্ছে, ওই পথ দিয়েই একটু আগে আমরা বাসে এসেছি। সিএনজিওয়ালার সাথে আলাপ জমানোর চেষ্টা করলাম। লোকটা পাহাড়ি নয়। শিহান বলল, ‘আপনাকে দেখে তো রাঙামাটির লোক বলে মনে হচ্ছে না।’

বলল, সে রাঙামাটির লোক নয়। তার বাড়ি রংপুর। দশ বছরের মতো এই শহরে আছে। তার নামে নাকি অনেক মামলা আছে। আরো বলল, রাঙামাটির মানুষ নাকি বেশ ভালো। জায়গাটার প্রতি মায়া পড়ে গেছে। সুযোগ পেলেও এই পাহাড়ি জায়গাটা ছেড়ে যেতে খুব কষ্ট হবে তার।

এসব খেজুরে আলাপের সাথে সাথে এও বললো যে নৌকার মহাজন যে জায়গাগুলোর কথা বলেছে, ওগুলো সিএনজিতেও ঘোরা যাবে। সিএনজিতে ঘুরলেই নাকি বেশি ভালো লাগবে। আমরা উনার কথার কোনো উত্তর দিলাম না। রাতে ঠিক করব, কোন উপায়ে ঘুরব।

আদিবাসীদের জাদুঘরে নামিয়ে দেওয়ার পর আমি আর শিহান মুখ চাওয়াচাওয়ি করলাম। এইটুকু পথ আমরা লোকাল সিএনজিতেই চলে আসতে পারতাম। শুধু শুধু রিজার্ভ নিজে কতগুলো টাকা গচ্চা …

জাদুঘরের সীমানায় ঢুকতেই চোখে পড়বে, চার আদিবাসীর পাথরের প্রতিকৃতি। ২০ টাকা করে টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকে প্রথমেই দেখলাম, কাপ্তাই বাঁধ দেওয়ার কারণে প্লাবিত রাঙামাটির আগের মানচিত্র। প্রথমেই এটার ছবি তুলতে ইচ্ছে করলো। কিন্তু জাদুঘরের ভেতরে ছবি তোলা নিষেধ। মনোযোগ দিয়ে মানচিত্রটার ছবি দেখতে দেখতে ভাবছিলাম, কাপ্তাই বাঁধ দেওয়ার কারণে রাঙামাটি পানিতে প্লাবিত হয়েছিল? ঠিক করে রেখেছিলাম, এই ব্যাপারটা নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে।

খৈয়াং। সোর্স: কাজিরহাট.কম

দেয়ালজুড়ে আদিবাসীদের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি, উৎসবের ছবি। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- চাকমা গাং পূজা, চাকমা জুম নৃত্য, কাচালং নদীতে বাঁশের চালি ইত্যাদি। বেশিরভাগই চুনীলাল দেওয়ানের আঁকা। আগ্রহ হলো তাঁর ব্যাপারে। গুগল ঘেটে চুনীলাল দেওয়ান সম্পর্কে তথ্য বের করলাম।

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হলেও চুনীলাল দেওয়ান ছিলেন মূলত সংস্কৃতি চিত্রশিল্পী। পেন্সিল বা কলমের স্কেচ, জল রং ও তৈল রঙের চিত্র তিনি আঁকতেন। তাঁর চিত্রকর্মের উপজীব্য ছিল বৈচিত্র্যময় প্রকৃতি, জুম্ম সমাজের মানুষ এবং তাঁদের সহজ সরল জীবনধারা। উনিশ শতকের শুরুর দিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীঘিনালার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে চুনীলাল দেওয়ান জন্ম নেন। ছোটবেলা থেকেই এই শিল্পী সাহিত্য-সংষ্কৃতির একনিষ্ঠ প্রেমিক ছিলেন।

রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি কলকাতা আর্টস কলেজে ভর্তি হন। সেখানে অধ্যয়নকালে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তিনি বেশ সাফল্যের পরিচয় দেন। নিজ প্রতিভা তাঁকে রবি ঠাকুর প্রমুখ বরেণ্য ব্যক্তিত্বদের সংস্পর্শে আসতে সহায়তা করে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত লোকশিল্প প্রদর্শনীতে তাঁর চিত্রকর্মসমূহ ব্যাপকভাবে দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ও কামরুল হাসান তাঁর চিত্রকর্মের বেশ প্রশংসা করেন। জয়নুল আবেদিন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি তাঁর সাথে যৌথভাবে ‘জলপ্রপাত’ নামক বিখ্যাত ছবিটি অংকন করেন।

ঢাকা, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম ও ফরিদপুরে তাঁর অংকিত কিন্তু শিল্পীর অধিকাংশ চিত্রকর্মই নানাভাবে হারিয়ে যায়। অল্প কয়েকটি মাত্র ছবি আজও তাঁর স্মৃতিকে ধরে রেখে টিকে আছে। চুনীলাল দেওয়ানকে একজন ভাস্কর্য শিল্পী হিসেবেও আখ্যা দেয়া যায়। মাটি, সিমেন্ট, কাঠ ইত্যাদি উপাদানের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন ডিজাইনের ভাস্কর্য গড়তেন। তাঁর নিজের তৈরি সিমেন্টের একটি বিরাট মূর্তি ও কাঠের উপর খুদিত বুদ্ধ ও আনন্দের একটি ভাস্কর্য বর্তমানে নানিয়াচর থানার ‘বিশ্বলতা জনকল্যাণ বৌদ্ধ বিহার’এ আছে।

চুনিলাল। সোর্স: ফ্লিকার্স

চুনীলাল দেওয়ান কবিতাও লিখতেন। এছাড়াও চুনীলাল দেওয়ানের নিজ হাতে তৈরি পান্ডুলিপিতে বত্রিশটি গান পাওয়া গেছে। তার কয়েকটি গানের মধ্যে বাঁশির সুরে, ব্যর্থ আশা, মিলন, অভ্যর্থনা গীতি ও সভাসঙ্গীত উল্লেখযোগ্য। তাঁর গানগুলো রবীন্দ্র সংগীত দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত। তিনি নিজে ভালো গায়কও ছিলেন। ‘ফুড পয়জনিং’ এর শিকার হয়ে এই গুণী শিল্পী চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে ১১টি নৃগোষ্ঠী- খুমী, চাকমা, বম, লুসাই, তঞ্চঙ্গ্যা, খিয়াং, ত্রিপুরা, ম্রো, মারমা, পাংখোয়া এবং উসুই।

আর্ট কলেজে চুনিলাল দেওয়ান ও তাঁর সহপাঠীরা। সোর্স: জুম জার্নাল

জাদুঘরে আরো আছে উপজাতিদের ব্যবহৃত আসবাবপত্র। ওগুলো যেমন অদ্ভুত দেখতে, তেমনি অদ্ভুত নাম। জংলী লাউয়ের খোল দিয়ে তৈরি করে পানি বহন করার পাত্র, নাম- তিউম। বন্যপ্রাণী ধরার ফাঁদের নাম- কেরাপ, ম্রোদের বাঁশি- প্লুং, তিল (ঘচ্ছ্যা) সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ঝুড়ির নাম- ককক্রেং।

ক্লুবংপ্লাই ম্রোদের ঐতিহ্যবাহী গোহত্যা নৃত্য, বর্গী চাকমাদের ব্যবহৃত চাদর, ফুলবারেং তঞ্চঙ্গ্যাদের কাপড়চোপড় ও অলঙ্কার রাখার পাত্র, ছীঃক্লাহ মারমাদের ব্যবহৃত চুরুট পাইপ।

পোশাকের নামগুলোও বড় অদ্ভুত। বম রমনীর পোশাক নুফেন, চাকমা রমনীর পনোন, ত্রিপুরা রমনীর রিনাই, চাকমাদের ব্লাউজ বেডাই, ত্রিপুরাদের বক্ষবন্ধনী রিসা,
মারমা পুরুষের কাপড় দেয়া।

চাকমা পুরুষ ও শিশু। সোর্স: রিফাত রাব্বি

চাকমাদের ধর্মগ্রন্থ লেখা হয়েছে বিকৃত পালি ভাষায়। সেই পুরাতন পালি ভাষার সংস্করণ দেখলাম। তালপাতায় লেখা।

জাদুঘর সংলগ্ন আরোও একটি বিল্ডিং দেখলাম। ওটা উপজাতিক পাঠাগার। ঢুকতে চাইলাম, কিন্তু টিকিট কাউন্টারের লোকটা বলল, সাড়ে চারটায় বন্ধ হয়ে যায়। সময় পেরিয়ে গিয়েছে, তাই আর ঢোকা যাবে না।

বেরিয়ে দেখলাম, সাইনবোর্ডে লেখা আছে,
সোম থেকে শুক্রবার সকাল ৯:৩০ থেকে ৪:৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে। সরকারি ছুটির দিন বন্ধ। ছোট অথচ অত্যন্ত সমৃদ্ধ এ জাদুঘরটি খোলা থাকে সোম থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। শনি, রবি ও অন্যান্য সরকারী ছুটির দিনগুলোতে জাদুঘর বন্ধ থাকে। জাদুঘরে বড়দের প্রবেশমূল্য পাঁচ টাকা ও ছোটদের দুই টাকা।

বম নারী। সোর্স: রিফাত রাব্বি

কীভাবে যাবেন:

রাঙ্গামাটিতে আপনি বিভিন্নভাবে পৌঁছাতে পারেন। রাঙ্গামাটিতে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে রয়েছে হানিফ, ইউনিক, সাউদিয়া, এস আলম, শ্যামলী ইত্যাদি। ৭ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টায় আপনি ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটিতে পৌঁছে যাবেন। শ্যামলী পরিবহনের একটিমাত্র এসি বাস ছাড়া রাঙ্গামাটিতে কোনো এসি বাস চলাচল করে না।

এছাড়া আপনি ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে বাসে যেতে পারেন এবং সেখান থেকে বাসে করে রাঙ্গামাটিতে পৌঁছাতে পারেন। তবে, ঢাকা থেকে বাসে করে সরাসরি রাঙ্গামাটিতে যাওয়াই সহজতর হবে।

ফিচার ইমেজ: শিহান

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিদেশের মাটিতে বাজেট ট্রিপ: দিল্লি ও আগ্রা ভ্রমণ

বানরের অভয়ারণ্য ভালুকার বিটবনে একদিন