তিস্তা পাড়ের লালমনিরহাট

ছিটমহল নিয়ে এক সময় দৈনিক পত্রিকায় বেশ লেখালিখি হতো। অবাক হয়ে পড়তাম ছিটমহলবাসীর সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার কথা। তিন বিঘা করিডোর নিয়ে সেই ছোটবেলা থেকেই একটা আগ্রহ জন্মেছিল। আগ্রহ আর সুযোগ ব্যাট বলে মিলে যাওয়ায় অক্টোবর মাসের ১৯ তারিখ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় হানিফের বাসে চড়ে বুড়িমারির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। সাথে ছিল ভ্রমণসঙ্গী ওয়াফি আর আমাদের প্রাণপ্রিয় ঈসমাইল ভাই।

ওয়াফিকে নিয়ে নতুন করে আর কী বলবো। প্রচণ্ড আবেগী একটা ছেলে। মুখ দিয়ে বের করেছিলাম শুধু লালমনিরহাট আর পঞ্চগড় যাব, এর পরের দিনই শুনি সে বাসের টিকেট কেটে এনেছে। যেহেতু তিন বিঘা করিডোর দেখতে যাব, মালাই হিসাবে রাখা যায় বাঙালির হাইপ তেতুলিয়ার কাঞ্জনজংঘা। ঈসমাইল ভাইয়ের সাথে এই ব্যাপারে আলাপ করলাম। আমার ভ্রমণ গল্পগুলো ঈসমাইল ভাইকে ছাড়া অপূর্ণ থেকে যায়৷ কী পাহাড়, কী সমতল সব জায়গায় আছেন ঈসমাইল ভাই৷ যাক, শুরু করা যাক আমাদের ভ্রমণ কাহিনী ।

ড্রাইভার সাহেব ১৫ বছর পর এই রুটে গাড়ী চালাচ্ছেন বিধায় আমরা রাতের বেলায় কোনো খেলা দেখতে পারলাম না। কাছুয়ার গতিতে টেনে চান্দুরা এলেংগার জ্যাম ঠেলে বুড়িমারি পৌঁছালাম সকাল ৯.৩০টায়। আমাদের সফর সংগীরা এত বিশাল জার্নিতে হালকা টায়ার্ড ছিল। তাই হালকা রেস্ট নিয়ে চলে গেলাম বুড়িমারির বিখ্যাত বুড়ির হোটেলে। সকালের নাস্তা খেয়ে বুড়িমারি জিরো পয়েন্ট, স্থল বন্দরটা দেখতে আসলাম।

ছবি – আশিক সারওয়ার

বুড়িমারি স্থল বন্দরের অবস্থান বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রাম ও ভারতের মেখলিগঞ্জের চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে। উত্তর বঙ্গের গুরত্বপূর্ণ এই স্থল বন্দর দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে বাংলাদেশ ভারতের বাস-ট্রাক। ভারত, নেপাল, ভুটানের সাথে অপার বাণিজ্যের সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে এই স্থল বন্দর। অবাক হলেও সত্য এখান থেকে ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব মাত্র ৭০কি.মি। ভারতের ট্রানজিট ভিসা নিয়ে খুব সহজেই থিম্পু যাওয়া যায়। তাই পর্যটকদের একটা বিশাল চাপ পড়ছে এই স্থল বন্দরে।

এই সকাল সকাল দেখতে পারছি ভুটান, দার্জিলিংগামী পর্যটকদের ভীড়। তার সাথে চলছে পণ্য পরিবহনের কাজ। ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার ফলমূল, পাথর, কয়লা, আলু, গম, চাল, ভুট্টা, পিঁয়াজ, বীজ, মসলা এবং বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে গার্মেন্ট সামগ্রী, মেলামাইন, ক্রোকারীজ, ইলিশ মাছ প্রভৃতি। বিজিবি’র অনুমতি সাপেক্ষে আমরা আশেপাশের ছবি তুললাম। ফটো সেশন পর্ব শেষে এবার তিন বিঘা করিডোর যাবার পালা।

ছবি – আশিক সারওয়ার

বুড়িমারি স্থল বন্দর থেকে ভ্যান ভাড়া করে গল্প গুজব করতে করতে চলে এলাম বুড়িমারি রেল ষ্টেশন। সোনায় সোহাগা। স্টেশনে কমিউটার ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল। বুড়িমারি হয়ে পার্বতিপুর যাবে। পথে থামবে পাটগ্রাম। আমাদের গন্তব্য পথের সাথে খাপে খাপে মিলে গেল। সাত-পাঁচ না ভেবে উঠে পড়লাম। ১৫ মিনিট ট্রেনে হাল্কা ঝিমুনি দিয়ে চলে এলাম পাটগ্রাম।

পাটগ্রাম স্টেশন থেকে রিক্সা করে পাটগ্রাম বাইপাস রোড আসার পর নজরে পড়লো একটা সাইনবোর্ড। আংগরপোতা ১৯ কি.মি, দহগ্রাম ১৩ কি.মি, তিন বিঘা করিডোর ১২ কি.মি.। একটা অটো ভাড়া করে নিলাম আমাদের আংগরপোতা, দহগ্রাম, তিনবিঘা করিডোর ঘুরিয়ে এনে আবার পাটগ্রাম বাইপাসে ছেড়ে দেবে।

ছবি – আশিক সারওয়ার

শুরু হলো এক রোমাঞ্চকর যাত্রার। দহগ্রাম-আঙ্গরপোতায় যেতে হলে প্রায় ১৭৮ মিটার ভারতীয় ভূখণ্ড পার হয়ে যেতে হয় যেটা তিন বিঘা করিডোর নামে পরিচিত। কাগজে কলমে ইহার মালিক বাংলাদেশ হলেও রক্ষনাবেক্ষণের পুরো দায়িত্ব ভারত সরকারের। চলতে চলতে এসে পড়লাম করিডোরের সামনে। করিডোরের চারপাশে লোহার বেষ্টনী দিয়ে ঘেরা। সোজা নাক বরাবর রোডটি বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য আর ডান বামের রাস্তা ভারতীয়দের ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ। করিডোরের ডান আর বামের রাস্তা চলে গেছে ভারতের কুচবিহার জেলায়।

করিডোর পার করে দেখতে পারলাম দহগ্রামের মাইল ফলক। দহগ্রাম পার করে ৭ কি.মি পরে পেলাম আংগরপোতা। একেবারে শেষ সীমানায়। এখানে আছে বাংলাদেশের শেষ বাড়ী। এখান থেকে ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়াগুলো কাঁটা হয়ে চোখে বিঁধলো। কী অদ্ভুতভাবে দেশ ভাগ হলো, ভালো অংশগুলো পড়েছে ভারতে। হতাশার বাতাস খেতে খেতে আমাদের পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। আসার পথে করিডোরের সামনে ফটো সেশন পর্ব শেষ করলাম। তখনও জানতাম না তিস্তা ব্যারেজ আমাদের জন্য নতুন রোমাঞ্চের আমন্ত্রণ নিয়ে বসে আছে।


ছবি – আশিক সারওয়ার

তিন বিঘা করিডোরের স্বপ্নের যাত্রা শেষে আবার ফিরে এলাম পাটগ্রাম বাইপাস। এবার অটোয়ালা মামা নিজেই অফার করলেন আপনাদের তিস্তা ব্যারেজ পর্যন্ত নামিয়ে দিয়ে আসি। অটো হেলে দুলে যাচ্ছে আর আমরা মেঘ রৌদ্রের লুকোচুরি খেলা উপভোগ করছি। মনে মনে গুন গুন করছি উত্তম-সূচিত্রার সেই বিখ্যাত গান-

“এ পথ যদি না শেষ হয়
তবে কেমন হতো তুমি বলো তো।
যদি পৃথিবীটা স্বপ্নের দেশ হয়
তবে কেমন হতো তুমি বলো তো ||”

ছবি – আশিক সারওয়ার

আগের দিনের মুসাফিররা কোনো পরিকল্পনা নিয়ে ঘর থেকে বের হতো না। পথ দিয়ে দিত পথের সন্ধান। তখন ছিল না কোনো গুগল ম্যাপ, জিপিএস। বিখ্যাত পরিব্রাজক হিউয়েন সাং, ইবনে বতুতা, মার্কো পোলার রোজনামা পড়লে বোঝা যায় তারা কতটা ভ্রমণ পাগল ছিল। গল্পটা শুধু তিস্তা ব্যারেজের ছিল না। ছিল এক আবেগের আর নীলফামারির বুক চিরে পঞ্চগড় যাবার দীর্ঘ এক স্মরণীয় যাত্রার। ডালিয়া-ডিমলা-ডোমার-দেবীগঞ্জ-বোদা-পঞ্চগড় এ রোড টু রিমেম্বার।

আকাশে রৌদ্র-মেঘের লুকোচুরি খেলা জানান দিচ্ছে যেন বৃষ্টির আগমনী বার্তা। বিনা নোটিশে শুরু হলো ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি। বৃষ্টির জলে ভিজতে ভিজতে কাক ভেজা। হাড় কাপুনি শীতকে গীত শুনিয়ে উত্তরবংগের এই পিচ ঢালা রাস্তায় হেঁটে চলছে অদ্ভুত তিনটা মানুষ। কেউ সমবয়সী না। ঘুরতে গিয়ে পরিচয়। কোনো এক বিখ্যাত ব্যক্তি বলেছেন সফরে বের হও, সফরে গেলে মানুষ চেনা যায়। তাই এই ইউনিভারসাল ভাই-ব্রাদার-ব্রো সম্পর্কগুলোর বন্ধন অনেক মজবুত হয়।

ছবি – আশিক সারওয়ার

বৃষ্টির এই কঠোর হানার মধ্যেও উত্তরবংগের জাতীয় যান ব্যাটারি চালিত অটোতে করে তিনবিঘা করিডোর থেকে যখন ডিমলা আসলাম তখন প্রায় বিকেল। ক্ষিধায় পেট চোঁ চোঁ করছে। ব্রীজের পাশে চানাচুরওয়ালা মামার বানানো চানাচুর তখন অমৃত লাগে। চানাচুর খেতে খেতে এক পলক তিস্তা ব্যারেজ দেখে নিলাম। ইহা উত্তরবংগ তথা দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এর সুফল ভোগ করছে নীলফামারি, লালমনিরহাট, রংপুর, দিনাজপুরের মানুষ।

ব্রীজের উপর হেঁটে হেঁটে উপভোগ করতে লাগলাম গ্রাম বাংলার রূপ। এই রূপের আধার দেখে মন পুলকিত হলো। আর মনে হলো এমন একটা বিকেলে তিস্তা ব্যারেজ না আসলে খুব পাপ হয়ে যেত। এখানে পর্যটন শিল্প তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। তবুও এর আশেপাশের পরিবেশ পথিকের মন ভরাতে বাধ্য। তিস্তার উজানে বাঁধ দিয়ে ঘেরা কৃত্রিম জলরাশি, সেচ বাইপাস খাল, বনায়ন আর পাথর দিয়ে বাঁধানো পাড় সব মিলে এক মনোরম পরিবেশ।

কিছুদূর যাবার পর দেখতে পেলাম একদল জেলে জাল পেতে মাছ ধরছে। কখন যে দেখতে দেখতে ঘণ্টা পার হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না। এখন যাবার পালা ঘনিয়ে এলো। বিদায় বেলায় তিস্তার কান্না আমার কানে যেন গুন গুন করছে। জীবনটা বোধহয় এমনই। গজল ডোবার জলে বর্ষায় ভাসে আমার দেশ, তবুও বন্ধুর উপহার নিতে হবে বুক উঁচু করে। থামবে কী কোনো দিন তিস্তার কান্না? বিদায় তিস্তা যেতে হবে এবার।

ছবি – আশিক সারওয়ার

যাবার বেলায় বাধলো বিপত্তি। গুগল ম্যাপ বলে ডালিয়া থেকে ডিমলা ডোমার-দেবীগঞ্জ-বোদা হয়ে পঞ্চগড় যাওয়া যায়। আর আমাদের স্নেহের ছোট ভাই ওয়াফি বলছে রংপুরের পাগলাপীর হয়ে পঞ্চগড় যাব। ওভাবে হিসাব করে গেলে দেখলাম প্রায় ৫ ঘণ্টার উপরে লাগবে। আর ম্যাপ দেখাচ্ছে ডোমার-দেবীগঞ্জ হয়ে গেলে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা লাগবে। আমার ভাইডি আবার বিশিষ্ট বাস গিক। হানিফ শ্যামলী ছাড়া তার চলেই না। পাগলাপীর যাব, হানিফ শ্যামলী করে পঞ্চগড়।

কোনো এক দার্শনিক বলেছিলেন, ম্যাপে তোমার বিশ্বাস না হলে লোকাল মানুষকে জিজ্ঞেস কর। তারা চলন্ত ম্যাপ। ডালিয়া পয়েন্টে অটো মামাকে যখন জিজ্ঞেস করলাম উনি কহিলেন পাগলাপীর হয়ে গেলে ১২টার আগে আর পঞ্চগড় যেতে পারবেন না। ভেঙে ভেঙে যান। শুনেই ব্যাপারটা রোমাঞ্চকর মনে হলো।

ছবি – আশিক সারওয়ার

নীলফামারীর বুক চিরে যাব পঞ্চগড়। কতগুলো উপজেলা ক্রস করবো। তাও আবার উত্তরবঙ্গের জাতীয় যান অটো, মহেন্দ্রে করে। ওয়াফি গাই গুই করার পরও বড়দের বুঝে রাজি হয়ে গেল। অটোতে চড়ে বসলাম। প্রথম গন্তব্য ডালিয়া টু ডিমলা। অটো চলছে হেলেদুলে, মনের আনন্দ মিলে। নচ্ছাড় বৃষ্টি সে তো পিছে লেগেই আছে। এত বাজে রাস্তা আমার মনে হচ্ছে কেউ আমাকে চানাচুরের ডিব্বার ভেতরে ভরে ঝাকাচ্ছে। দেখতে দেখতে এসে পড়লাম ডিমলা।

এইবার তাড়াহুড়ো করে উঠে পড়লাম ডোমারের অটোতে। ডোমার পৌঁছাতে আমাদের সন্ধ্যা হয়ে গেল তখন মাগরিবের আজান পড়ছে। পেটেও ইদুর দৌঁড়াচ্ছে। সে কবে থেকে না খাওয়া। ভাতের ক্ষুধা কি চানাচুরে মিটে? সাত পাঁচ না ভেবে ঢুকে পড়লাম হোটেলে। এর মধ্যে একজন আছে উনার আবার দুই ডিম না হলে চলেই না। হালকা নাস্তা সারার পর সিগারেটে সুখ টান দিতে দিতে উঠে পড়লাম মহেন্দ্রায়।

ছবি – আশিক সারওয়ার

এবারের গন্তব্য দেবীগঞ্জ। পথ যেন আর শেষ হয় না। এ যন্ত্রণা কেমনে বুঝাই। যাক একসময় এসে পড়লাম দেবীগঞ্জ। দেবীগঞ্জ আসার পর একটু রেস্ট নিয়ে উঠলাম বোদার মহেন্দ্রায়। ততক্ষণে মনে হচ্ছিলো এইবার পঞ্চগড় যেতে পারলে একটা বিজয়ের লাফ দেব খুশিতে। বোদা আসার পর ছোট ভাই আবার গো ধরলো আমার এই নধর ক্লান্ত দেহ নিয়ে মহেন্দ্রায় আর বসা সম্ভব না। পা রাখার স্পেস কম। হানিফ শ্যামলিতে যাব। আবার সেই ভাংগা রেকর্ড। বোদা নামটির মধ্যে লুকিয়ে আছে রাজ্যের অশ্লীলতা। তাই এহেন উপজেলায় বেশিক্ষণ থাকা ঠিক হবে না ভেবে চলে এলাম বোদার মোড়।

বোদার মোড়ে ১৫ মিনিট দাঁড়ানোর পরও কোনো হানিফ শ্যামলী পেলাম না। এরপর এক দোকানদার মামাকে জিজ্ঞেস করলাম আজকে কি পঞ্চগড় যাবার জন্য হানিফ শ্যামলী কোনো বাস পাব না? মামা কহিলেন, আপনারা কি রংপুরের মফিজ? এখন সব গাড়ী পঞ্চগড় থেকে বের হচ্ছে। এই সব গাড়ী ঢাকায় যাবে। পঞ্চগড়ে এখন কোনো গাড়ী ঢুকবে না। মলিন মুখে আবার সেই পুরান সাথী মহেন্দ্রায়। মহেন্দ্রার ড্রাইভার বললো পঞ্চগড় আর বেশি দূরে নয়। আহ কি সুখ। ঝড়ের গতিতে মহেন্দ্রা চলছে। আমাদের চেয়ে মামার তাড়া বেশি। যাত্রী ছাড়াই দিচ্ছে টান।

৩০ মিনিটের রাস্তা ২০ মিনিটে পাড়ী দিল। বাস, ট্রেন, লঞ্চের মতো যদি মহেন্দ্রা গিক থাকতো নিশ্চিত আমি সেই গিকের প্রথম হতাম। এমন ড্রাইভিং দেখে শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে আসলো। পঞ্চগড়ের বাতাসে নাকি কাঞ্চনজংঘা ভাসে। পঞ্চগড়ে এসে হিলি এরিয়ার ফিলিংস পেতে লাগলাম। ম্যাপ ভুল বলে না এইটাই এই লম্বা জার্নির মূল শিক্ষা। কিছু কিছু জার্নি স্মৃতি হিসেবে থেকে যায়। নীলফামারীর বুক চিরে পঞ্চগড় মনে থাকবে অনেকদিন। শেষ হইয়াও হইলো না শেষ। কিছু গল্প বাকি রইলো পঞ্চগড়ের জন্য৷

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝালকাঠিতে একটি স্নিগ্ধ রহস্যময় প্রাভাতিক

চন্দ্রদ্বীপ রাজ্যের দুর্গাসাগর দীঘির গল্পগাথা