শিলং, চেরাপুঞ্জি এবং সোনাংপেডেং ভ্রমণ (২৪ জুলাই)

এটি Tour Group BD (https://www.facebook.com/groups/TourgroupBd) এর ইভেন্ট।
যারা যাবেন কিনা নিশ্চিত না, তারা Interested এ ক্লিক করে রাখলে সব আপডেট পাবেন। আর একেবারে নিশ্চিত হয়েই Going ক্লিক করলে আমাদের জন্য সম্ভাব্য সঙ্গী সম্পর্কে ধারণা পেতে এবং পরবর্তীতে যোগাযোগ করতে সহজ হয়।
শিলং- চেরাপুঞ্জি- সোনাংপেডেং এ টিজিবি
আর যারা নিশ্চিতভাবে যাচ্ছেন, তারা এই ইভেন্ট নিজস্ব টাইমলাইনে শেয়ার করবেন, যেন আপনার নিজের পরিচিতরাও যাবার সুযোগ পায়।
যাত্রার তারিখ ২৪ জুলাই , রাত ১১,০০ টা।
ফেরার তারিখ ২৮ জুলাই , রাত ১১ টা (ঢাকায় থাকবো) ।
ভ্রমণের মূল খরচ ধরা হয়েছে ১৩,৮০০/- টাকা
(ভিসা ফি এবং ট্রাভেল ট্যাক্স নিজ নিজ)
এখানে পরিষ্কারভাবে বলে দিচ্ছি এই খরচে পুরো ট্রিপের প্রায় সব খরচই থাকবে, এর বাইরে আর কোন খরচ লাগবে না আপনাদের (ব্যক্তিগত খরচ বাদে। ট্রাভেল ট্যাক্স ব্যক্তিগত খরচের মধ্যে পড়ে)
ভেঙ্গে বলতে গেলে প্রতিটি স্পটে এন্ট্রি ফি গুলো, সকল খাবার, সকল ট্রান্সপোর্টেশন খরচ, হোটেলে ৩ রাত থাকার খরচ (শেয়ার বেসিসে), ঢাকা-শিলং- ঢাকা বাসের খরচ সব কিছুই থাকবে। পোর্টেও হিডেন কিছু খরচ থাকে (যারা আগে বাই রোডে দেশের বাইরে গেছেন, তারা অনেকেই জানেন বিষয়টি), সেটিও আমরাই বহন করবো। ইভেন মাউলিনং ভিলেজ এবং রুট ব্রিজ ঘুরতে এক্সট্রা যে খরচ হবে, সেটিও আমরাই বহন করবো।
যাদের শিলং রুটে ভিসা করা আছে, তাদের কোন সমস্যাই নেই। তারা এই বাসে বা অন্য ভাবে গিয়েও আমাদের সাথে যোগ দিতে পারবেন।
কনফার্ম করার জন্য যোগাযোগ করে কনফার্মেশন মানি ৫,০০০ টাকা দ্রুত দিয়ে দিন ।
Most important: VISA FACT
আমরা ই-টোকেন নিয়ে ভিসা করবো। তাই প্রত্যেকে নিজেদের ভিসা নিজেরাই করে নিতে পারবেন, এখন ভিসা প্রসেস অনেকটা সহজ।
তবে আপনারা চাইলে আমরা এই ব্যাপারে সব সাহায্য করবো।
ভিসা ফি ৬০০ টাকা লাগে, এবং ই-টোকেন এর খরচ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা লাগবে। আমরা সব গুছিয়ে দিবো, আপনারা গিয়ে লাইনে দাড়িয়ে জমা দিয়ে আসবেন।
(এই ক্ষেত্রে যা খরচ হবে,সেটিই সাজেষ্ট করা হবে বা নেয়া হবে)
ভিসা করতে হলে যা যা লাগবেঃ
১. MRP পাসপোর্ট (ডিজিটাল)
২. পুরাতন থাকলে অবশ্যই সংযোজন করে নিয়ে জাবেন অন্যথায় জমাই নিবে না।
৩. ৩ কপি “2by2” ছবি। (সাথে একটি সফট কপিও/স্ক্যানড কপিও লাগবে)
৪. পাসপোর্টের ৩ কপি ফটোকপি (শুধু MRP)।
৫. ন্যশনাল আইডি অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি।
৬. ব্যাংক স্টেটমেন্ট কমপক্ষে ৬ মাসের। মিনিমাম ব্যালেন্স ২০,০০০ টাকা থাকতে হবে। আর স্টেটমেন্ট টি অনলাইন প্রিন্ট হলে চলবে না, ব্যাংক থেকে করাতে হবে,এবং এতে ব্যাংক এর সিল থাকা লাগবে।
যাদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে সমস্যা,তারা ব্যাংক থেকে এন্ডোর্সমেন্ট করিয়ে নিতে পারেন। এতে ৩৫০-৪৫০ টাকা খরচ হবে।
৭. স্টুডেন্ট হলে আইডি কার্ডের ফটোকপি। চাকুরীজীবী হলে NOC (No Objection Certificate) এবং ভিসিটিং কার্ড – ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি এবং ভিসিটিং কার্ড।
৮. ইউটিলিটি বিলের (বিদ্যুৎ বিল অথবা টেলিফোন বিল) মূলকপি এবং ফটোকপি। (অবশ্যই ৩ মাসের পুরাতন নয়)।
নোটঃ প্রত্যেকটি ডকুমেন্ট যেগুলো আমাদেরকে জমা দিবেন, সবগুলোর কপি সাথে রাখবেন এবং যাবার দিন সাথে নিয়ে যাবেন।
NOC পেপার বাংলাদেশের বর্ডারে দেখতে চায়,তাই সেটি অবশ্যই কয়েকটি কপি করে নিবেন।
আর যাদের পাসপোর্ট নেই এখনো, তারা প্রসেস শুরু করে দিন। ২০ দিনের মধ্যেই স্বাভাবিকভাবে পেয়ে যাবেন। প্রথমে ব্যাংক এ পাসপোর্ট এর টাকা জমা দিয়ে সেখানে একটি নাম্বার পাবেন, সেটি দিয়ে বাসায় বা প্রফেশনাল কারো দ্বারা আপনি ফর্ম পূরণ করে নিবেন। তারপর দুই কপি করে সেটার সাথে ভোটার আইডি, ছবি সংযুক্ত করে নিয়ে যাবেন। আর ফর্মটিকে প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কারো দ্বারা সত্যায়িত করে নিবেন। তারপর বাকিটা পাসপোর্ট অফিসে গেলেই পারবেন। শর্টকাট বলে দিয়েছি, আরো ভাল ভাবে খোঁজ নিবেন প্রসেস শুরু করার আগে।
এই ভ্রমণ এর সম্ভাব্য কিছু বর্ণনাঃ

  1. দিন ০ – মঙ্গলবার- রাতের বাসে ঢাকা থেকে তামাবিল-ডাওকি বর্ডার হয়ে শিলং এর দিকে যাত্রা করবো।
  2. দিন ১ – বুধবার – আমরা বর্ডার পার হয়ে ওপারে গিয়ে জিপে উঠবো, মাওলিনং ভিলেজ , রুট ব্রিজ এবং ওয়াদখা ফলস ঘুরে একেবারে চেরাপুঞ্জি যাবো, পৌছাতে সন্ধ্যা হয়ে যাবে। রাতে চেরাপুঞ্জি থাকব।।
  3. দিন ২ – বৃহস্পতিবার- মৌসুমি কেইভ, নোকেলিকাই ফলস, সেভেন সিস্টার ফলস দেখে শিলং চলে আসব।
  4. দিন ৩- শুক্রবার – এলিফেন্ট ফলস, সুইট ফলস, তারশি ফলস দেখে সোনাংপেডেং এসে রাতে থাকব।।
  5. দিন ৪ – শনিবার- সকালের নাস্তা সেরে সোনাংপেডেং ঘুরে ফিরে সন্ধ্যায় বর্ডার ক্রস করে সিলেট চলে আসব। রাতের বাসে ঢাকার উদ্দেশ্য রৌওনা হব।
  6. দিন ০০- শনিবার রাত অথবা রবিবার ভোরে ঢাকা ।

রবিবার অফিস করতে পারবেন ।।
কনফার্ম করার ডেডলাইন আসন ফাঁকা থাকা পর্যন্ত। আমরা কনফার্মেশন সিরিয়াল অনুযায়ী বাসে সিট দিবো।
মৌখিক কোন কনফার্মেশন গ্রহণোযোগ্য নয়, কেবল প্রসিডিউর অনুযায়ী কনফার্ম করার পর সিট নাম্বার নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে।
যা যা থাকছে এর মধ্যেঃ

  1. যাতায়াতের সকল খরচ
  2.  ঢাকা- তামাবিল- শিলং- ডাওকি- ঢাকা নন এসি বাসের খরচ
  3.  ২৫ তারিখ সকালের খাবার থেকে শুরু করে ২৭ তারিখ রাত পর্যন্ত প্রতিদিন তিনটি প্রধান খাবার, সেই সাথে প্রয়োজনীয় স্ন্যাক্স।
  4.  হোটেল এর খরচ
  5.  আভ্যন্তরীণ সকল যানবাহনের খরচ
  6.  ইমিগ্রেশন খরচ
  7.  মাউলিনং ভিলেজ এবং রুট ব্রিজ যাবার এক্সট্রা খরচ
  8. সোনাংপেডেং এ থাকার খরচ

যা থাকছে নাঃ

  1.  কোন ব্যক্তিগত খরচ
  2.  কোন ঔষধ
  3.  কোন রকম ব্যক্তিগত বীমা

যা সাথে নেওয়া উচিতঃ

  1.  অবশ্যই ট্রাভেল ব্যাগ (কাধে ঝোলানো)
  2.  ট্র্যাকিং এর জন্য খুব পাতলা জুতা। আমাদের শপে ভ্রমণে আরামদায়ক জুতা পাওয়া যায়।
  3.  শিলং বৃষ্টি প্রধান এলাকা,তাই বৃষ্টি থেকে নিজেকে এবং নিজের ব্যাগকে সেইভ করার যথাযথ ব্যবস্থা (রেইন কোট বেটার)
  4. গামছা নিবেন পাতলা, কিন্তু বড় যেন রোদে মাথায় ঢেকে হাঁটা যায়
  5.  সানগ্লাস, হ্যাট, সান ক্রিম(যদি অতিরিক্ত ত্বক সচেতন হন)
  6.  প্রয়োজনীয় ঔষধ
  7.  ক্যমেরা এবং এর এক্সট্রা ব্যাটারি
  8.  চার্জের জন্য পাওয়ার ব্যাংক
  9.  ট্রাভেল পিলো
  10.  চাদর

কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপার গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবেঃ

  1.  ট্রিপ কনফার্মেশন এর উপর ভিত্তি করে বাসের সিট এবং রিসোর্ট দেয়া হবে।
  2.  যেহেতু গ্রুপ ট্রিপ, সব কিছুতে সেক্রিফাইজিং মাইন্ড থাকতে হবে, একে অন্যকে সহায়তা করতে হবে।
  3.  এই ট্রিপ এ মোটামুটি রিলাক্স ট্রিপ, তবুও হাঁটতে হতে পারে বিভিন্ন যায়গায়, যদিও খুব বেশি নয়।
  4.  এখানে এক রুমে ৪ জন করে মিলে-মিশে থাকতে হবে, ছেলেদের এবং মেয়েদের আলাদা রুম হবে।
  5.  কেউ আলাদা রুম নিতে চাইলে সেই ক্ষেত্রে কথা বলতে হবে আর জানাতে হবে আগে থেকেই, সম্ভব হলে করা হবে। অন্যথায় মেয়েরা আলাদা রুমে, ছেলেরা আলাদা রুমে থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

টাকা পাঠানোর উপায় (ব্যাংক এ লেনদেন সবচেয়ে সেইফ এবং আমরাও উৎসাহিত করি ব্যাংক এ লেনদেন করতে, তারচেয়েও সেইফ হচ্ছে অফিসে এসে টাকা জমা দিয়ে ট্রিপ কনফার্মেশন টোকেন নিয়ে যাওয়া)
অফিসের ঠিকানাঃ আমাদের অফিসের ঠিকানাঃ বিল্ডিং নাম্বার ২০, রোড নাম্বার ২,
জি ব্লক, এভিনিউ ২, লাভ রোড, প্রিংগেল ফুড কর্ণারের তিন তলা
মিরপুর ২ (স্ট্যাডিয়াম এর তিন নাম্বার গেট এর উলটা দিকে, ন্যাশনাল প্রাথমিক বিদ্যালয়য়ের পাশে)
Tour Group BD
#16411026552
Dutch Bangla Bank Ltd.
(Mirpur Branch)
01840238946 (মার্চেন্ট একাউন্ট, এই নাম্বারে খরচ সহ পেমেন্ট অপশন থেকে টাকা পাঠিয়ে ট্রিপের কনফার্মেশন বুঝে নিবেন)
016731112379 DBBL রকেট একাউন্ট
(খরচ সহ পাঠাতে হবে)
ট্রিপের হোস্টের কাছেও টাকা জমা দিতে পারেন।
শর্ত সমুহঃ
১- প্রথমেই একটি ভ্রমণ পিপাসু মন থাকতে হবে।
২- ভ্রমণকালীন যে কোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।
৩- ভ্রমণ সুন্দর মত পরিচালনা করার জন্য সবাই আমাদেরকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে।
৪- আমরা শালিনতার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ আনন্দ উপভোগ করব।
৫- প্রতিটি যায়গা ই আমাদের নিজেদের, তাই তার সৌন্দর্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। যেন টুরিসম এর কোন ক্ষতি না হয়, সেটা সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে।
৬- অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, যেটা আমরা সকলে মিলেই ঠিক করব।
৭- স্থানীয়দের সাথে কোন রকম বিরূপ আচরণ করা যাবে না। নতুন কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ট্রিপ হোস্টের সহায়তা নিতে হবে।
৮- কোনভাবেই কোন প্রকার মাদক সেবন বা সাথে বহন করা যাবে না। সাথে পাওয়া গেলে তাকে বা তাদেরকে তৎক্ষণাৎ ট্রিপ থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে গ্রুপের অন্য সবার সাথে স্বীদ্ধান্ত নিয়ে।
৯- দুর্ঘটনা বলে কয়ে আসে না তাই যে কোন প্রকার দুর্ঘটনা সকলে মিলে মোকাবেলা করতে হবে ।
১০- এই গ্রুপ সম্পূর্ণ ভ্রমণপিপাসুদের গ্রুপ। এখানে কোন প্রকার অশ্লীলতার কোন রকম সুযোগ নেই। কোন রকম অসৎ উদ্দেশ্যে যদি কেও আমাদের সাথে ভ্রমণে যান, সেটি বুঝে যেতে আমাদের খুব বেশি সময় লাগে না। এবং সেই মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা নিবো।
ভ্রমণের জন্য যে কেউ আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ছেলে/ মেয়ে সকলেই যেতে পারবে।
আমাদের গ্রুপ এর ঠিকানাঃ //www.facebook.com/groups/TourgroupBd/]
আমাদের পেজের ঠিকানাঃ https://www.facebook.com/TourgroupBd/
ম্যানেজার- ০১৮৪০২৩৮৯৪৬. রাহি- ০১৭২৩-৫৮৬৮৭৭
রিমন-০১৮১৯-৮৭৮৩৪০

Loading...

One Comment

Leave a Reply
  1. আমার ভিসা করা আছে আগরতলা রোড়ের।
    আমি থাকি হবিগঞ্জ।
    আমি কি এখান থেকে যেতে পারব?
    আমার ট্রাভেল ট্যাক্স সহ সর্বসাকুল্যে কত দিতে হবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জমিদারদের ব্যবহৃত নান্দনিক স্মৃতিচিহ্নে অনন্য ময়মনসিংহ জাদুঘর

মুর্শিদাবাদ: বাংলার ইতিহাসের এক ঝলক