তেরো পুকুর আর ইমারতে ফেনীর দাগনভূঞায় প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি

নোয়াখালী বেড়াতে যাব শুনেই সুজানা বললো, ‘আসো, তোমায় প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি ঘোরাবো। আমার বাসার কাছেই।’ নোয়াখালীতে জমিদার বাড়ি আছে, সেটাই জানতাম না! খুশিতে ডিগবাজি খেয়ে ফেললাম।
সারা সকাল পেরিয়ে গেল সোনাইমুড়ী ঘুরতে ঘুরতে। সেনবাগ সুজানার বাসায় যখন পৌঁছালাম, ততক্ষণে তিনটা বেজে গেছে। সুজানার এক মামা আমাদের জমিদার বাড়ি নিয়ে যাবে বলেছিল। তাকে বলা হয়েছিল আমরা দুপুর দুটোর মধ্যেই সেনবাগ থাকব। যেহেতু রাস্তাতেই বেলা দুটো পেরিয়ে গেছে, বেশ কয়েকবার তাড়া জানিয়ে কল এলো। বিকেলে মামার অন্য কাজ আছে।

রাস্তার পাশেই ছিল দুটো মঠ। সোর্স: লেখিকা

সেনবাগ সিএনজি থেকে নেমে সুজানার বাড়ির অভিমুখে হাঁটতে শুরু করেছি, তখনই পাশ দিয়ে একটা সাদা রঙের কার পেরিয়ে যাচ্ছে। সুজানা গাড়িটা দেখেই চিৎকার করে উঠলো, ‘হাবিব মামা! তুমি চলে এসেছ!’ বাজারে অপেক্ষা করতে করতে অতিষ্ঠ হয়ে মামা বাড়িতে চলে এসেছে। ভালোই হলো। আমরা একটু হাতমুখ ধুয়ে, ফ্রেশ হয়ে তারপর একসাথে বেরুতে পারব।
যেহেতু সেনবাগ হয়েই জমিদার বাড়ি যেতে হবে, তাই আমাদের প্ল্যান ছিল, সুজানার বাসায় গিয়ে একটু ফ্রেশ হয়েই বেরিয়ে পড়ব। সারাদিন তো রৌদ্রদগ্ধ হয়েছি, চোখেমুখে পানির ঝাপটা পড়লে ভালো লাগবে। তাছাড়া জোহরের নামাজও পড়া হয়নি। তাই এখানটায় মিনিট বিশেকের একটা বিরতি পড়বে। কিন্তু তখনো কি জানি, এখানে ঢুকলে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে আর বেরুতে পারব না!
মঠদুটো নিশ্চয়ই এই জমিদারদের কারোর শ্মশান। সোর্স: লেখিকা

সুজানার বাসায় ঢুকে ওর মা, বাবা আর বোনদের সাথে পরিচিত হলাম। নামাজ পড়ে বেরিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করছি, সুজানার মা ধমকে বললেন, ‘সারাদিন বাইরে ঘুরে এসেছ, এখন না খেয়ে কোথাও যাওয়া চলবে না!’
আন্টিকে জ্বালাতে চাইনি বলে, আগে থেকে জানাইওনি যে আমরা আসবো। সেবারহাট আসার পর সুজানাকে ওর বোন ফেইরি ফোন করে জিজ্ঞেস করেছিল, বাসায় কখন যাবে। ব্যস, তখনই আন্টি রান্নাবান্নার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন। পোলাও, গরুর মাংস, মাছ ভাজা, রুইমাছ দিয়ে ঝিঙের ঝোল, ডিমসহ অনেক কিছুর আয়োজন করেছেন আন্টি। বেলা পড়ে যাওয়ায় খিদে মরে গিয়েছিল অনেকটাই। আন্টির হাতের রান্না দারুণ হওয়ায় আমি খানিকটা খেতে পেরেছি। সুজানা তো খেলো না বললেই চলে।
খেয়ে হাবিব মামার গাড়িতে চেপে বেরিয়ে পড়লাম জমিদার বাড়ির উদ্দেশ্যে। এবারে আমাদের দলটা বেশ বড় হলো। আমি, আরমান, সুজানা, প্রেয়ার, হাবিব মামা। যেতে যেতেই মামার খাছ থেকে জেনে নিচ্ছিলাম প্রতাপপুর জমিদার বাড়ির গল্পগাথা।
একমাত্র মন্দিরটির চেহারাতেই কিছুটা শ্রী টিকে আছে। সোর্স: লেখিকা

আমরা নোয়াখালীতে বেড়াতে এলেও জমিদারবাড়িটি কিন্তু নোয়াখালীতে নয়। এটি পড়েছে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নে। নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা থেকে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা একদম কাছে।
দাগনভূঞায় কয়েকটি নামজাদা কিছু বংশ চৌধুরী, ভূঞা এবং প্রতাপপুর বংশের মধ্যে প্রতাপপুর জমিদারদের অবস্থান ছিল শীর্ষে। আশপাশের এলাকার মধ্যে তারা ছিল প্রভাবশালী। জমিদার বাড়ি সম্পর্কে চিরায়ত যে মিথগুলো চালু থাকে, “বাড়ির সামনে দিয়ে প্রজাগণ জুতা পায়ে, ছাতা মাথায় হাঁটতে পারবে না। এমনটা করলেই শাস্তি…” – এরকম কথা প্রচলিত আছে এই বিশাল জমিদার বাড়ি নিয়েও।
পাঁচ জমিদার থাকতেন পাঁচটি দ্বিতল ভবনে। সোর্স: লেখিকা

এই রাজবাড়িটি বড় বাড়ি হিসেবেও পরিচিত। জমিদার রামনাথ কৃষ্ণ সাহা ১৯৬ বছর আগে ৮শ’ শতক জায়গায় দৃষ্টিনন্দন করে বাড়িটি নির্মাণ করেন। বাংলা ১২২৮ সালের ১৩ ফাল্গুন এটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ব্রিটিশ আমলে বাড়ির জমিদার রামনাথ কৃষ্ণ সাহা এ বাড়িতে বসেই অত্র এলাকার শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। তিনি এবং তার পাঁচ ভাই জমির খাজনাদি আদায় করতেন। তারা থাকতেন পাঁচটি দ্বিতল ভবনে। বাড়িতে রয়েছে ১৩টি পুকুর যাতে মাছ চাষ হতো জমিদারের তত্ত্বাবধানে। বাড়ির ভেতরে পাঁচটি পুকুরের ৫টি পাকা ঘাটে স্নান করতেন বউ-ঝিরা। এই ৫টি পুকুরের পাকা ঘাট বাঁধানো আছে।
বাড়ির ভেতরে পাঁচটি পুকুরের ৫টি পাকা ঘাটে স্নান করতেন বউ-ঝিরা। সোর্স: লেখিকা

বাড়িটিতে রয়েছে ছোট-বড় ১০টি দালান। এখানকার ১৩টি পুকুর পুরো বাড়িকে করেছে আকর্ষণীয়। বাংলাদেশে আর কোনো জমিদার বাড়িতে এত অধিক সংখ্যক পুকুর ও ভবনের দেখা পাওয়া যায়নি। ওই সময়ে বাড়িটি ছিল আশপাশের এলাকার জন্য দর্শনীয়। তৎকালীন অন্যান্য স্থানের জমিদাররা এ বাড়িতে সফর বিরতি করতেন।
জমিদার প্রথার বিলুপ্তি ঘটতে শুরু করলে এই বাড়ির প্রভাব প্রতিপত্তি কমতে শুরু করে। ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রামনাথ কৃষ্ণ সাহার উত্তরাধিকারীরা এ বাড়িতে অবস্থান করতেন। তার পর জমিদার বাড়ির বংশধরদের কিছু ঢাকা, চট্টগ্রামে বসবাস করেন। বাকিরা সবাই ভারতের কলকাতা ও ত্রিপুরা রাজ্যে চলে গিয়েছেন। জমিদার বাড়ির সমস্ত সম্পত্তি এখনো জমিদার বাড়ির বংশধরদের মালিকানাধীন। জমিগুলো এলাকার মানুষের কাছে বর্গা দিয়ে রাখা হয়েছে। বছরে দু’বার এসে বর্গার টাকা নিয়ে যান বংশধররা। জমিদার বাড়ির সদস্যরা দেশ-বিদেশে পাড়ি দেওয়ার পর থেকে বাড়িটি অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে।
বিলুপ্তপ্রায় নকশা। সোর্স: লেখিকা

মালিকরা বাড়ি ত্যাগ করার পর এই বাড়িটি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা দখলে নেওয়ার জন্য নানা ধরনের কাজ করতে থাকেন। এ সময় কয়েকবার বাড়িটিতে বসবাসকারীদের ওপর হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। হাবিব মামা জানালেন, ছোটবেলায় এই বাড়ির একটা নির্দিষ্ট অংশকে “আন্ধার মানিক” হিসেবে চিনতেন তারা। আন্ধার মানিকের প্রবেশপথ চুনসুরকি দিয়ে বন্ধ ছিল। একদিন কিছু লোক একটা বিশাল বড় ট্রাক নিয়ে বাড়ির সামনে এলো। তারপর এই বাড়ি থেকে ট্রাক ভর্তি করে কী যেন নিয়ে গেছে। কী ছিল সেই ট্রাকে, কেউ দেখতে পায়নি। লোকের ধারণা ওই ট্রাক ভর্তি ধনরত্ন ছিল। কারণ ট্রাকটি জমিদার বাড়ি ত্যাগ করার পর আন্ধার মানিকের বন্ধ প্রবেশদ্বার ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।
আন্ধার মানিক নামে খ্যাত ছিল এই ঘরটিই। সোর্স: লেখিকা

জমিদারবাড়ির গল্প শুনতে শুনতেই আমরা পৌঁছে গেলাম। রাস্তা থেকে বাড়িটি দেখা যাচ্ছিল না, তবুও আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে আমরা জমিদার বাড়িতে ঢুকছি। কারণ রাস্তার পাশেই ছিল দুটো মঠ। মঠ দুটো নিশ্চয়ই এই জমিদারদের কারোর শ্মশান। আরোও বুঝতে পারলাম, লোকজনের আনাগোনা দেখে। যদিও দেশের বেশিরভাগ জমিদারবাড়ি গিয়ে শুনশান নিরব পেয়েছি। কিন্তু এটি ব্যতিক্রম। তারও অবশ্য কারণ আছে। ঈদের তৃতীয় দিন সবাই তো একটু আশপাশে ঘুরে ফিরে দেখতে চায়। তারই নমুনা পেলাম এখানে এসে।
বাড়ির আঙ্গিনায় ঢুকতেই প্রথমে চোখে পড়বে একটা বিশাল চালতা গাছ। তার পর রঙ করা পুজোর ঘর। পাশেই দুটো ভবন। একটা এক তলা, অন্যটি দোতলা।
পরগাছা,পরজীবি উদ্ভিদে অনেকটাই ঢাকা ইমারতের বহিরাংশ। সোর্স: লেখিকা

দুই বিল্ডিংয়ের মাঝ দিয়ে সরু গলিমতোন জায়গা। বৃষ্টিতে কাদায় সয়লাব। বহুকষ্টে কাদা বাঁচিয়ে ভেতরে গিয়ে দেখি বেশ বড়সড় উঠান। উঠোনের তিন পাশেই দরজা জানালাবিহীন ইমারত। পরগাছা,পরজীবি উদ্ভিদে অনেকটাই ঢাকা ইমারতের বহিরাংশ। দুটি ভবনের উপরিভাগ ক্ষয়ে গেছে। সবগুলো ভবনের ভেতরেই প্রবেশ করা যায়। ভেতরটা পরিচ্ছন্নই বলা চলে, যদিও মেঝেগুলো স্যাঁতসেঁতে। হবারই তো কথা। বাড়ির সিলিং টিকে আছে লোহার এইচ বীমের উপর।
পলেস্তারা বিহীন প্রায় নগ্ন সিলিংয়ে রেললাইনের পাতের মতো লোহার বীমগুলো দাঁত কেলিয়ে হাসছে। ইট আর চুন দিয়ে স্তম্ভ খিলান দেয়াল সব। দেয়াল, ছাত সব জায়গাতেই পলেস্তরা খসে অবস্থা নাজুক। দুটি ইমারতে সিঁড়ি বেয়ে উপরেও উঠলাম। যেকোনো পুরোনো বাড়ির ছাত আমার রক্তে খুব অ্যাডভেঞ্চার জাগায়। এখানে লোকজনের আধিক্যে সেটা অনুভব করতে পারলাম না।
ছাদবিহীন এই ঘরটিতেই পুজোর জিনিসপত্র এনে রাখা হয়। সোর্স: লেখিকা

তেরোটি বিল্ডিংয়ের বেশ কয়েকটিই ধ্বসে পড়েছে। এমনকি সেগুলোর চারপাশের দেয়াল পর্যন্ত নেই। মেঝেগুলো কেবল নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে। বাড়ির পেছনে, পাশে বেশ কয়েকটি পুকুর দেখেছি। তবে কয়টা পুকুর, গোনা হয়নি। সবগুলোই মজা পুকুর। পানি খুব একটা পরিষ্কার নয়। শুনেছি, বাৎসরিক এক লক্ষ ষাট হাজারে বাড়ির পুকুরগুলো লিজ নিয়েছেন জনৈক ব্যক্তি বর্গ। পুকুরগুলোতে মাছের চাষ করেন তারা। তারাই পরিস্কার রাখেন এই সব।
পেছনের দিকটা একদম জংলা জায়গায় পরিণত হয়েছে। ঘুরে ঘুরে দেখতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, সেই জংলার মধ্যে বেমালুম হারিয়ে গেছে একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত দালানের মেঝে।
তেরোটি বিল্ডিংয়ের বেশ কয়েকটিই ধ্বসে পড়েছে। মেঝেগুলো কেবল নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে। সোর্স: লেখিকা

এত বড় জমিদার বাড়ি, অথচ কোথাও বাড়িটির পরিচিতি জানা যায়, এমন কোনো সাইনবোর্ড নেই। কোন ঘর কার ছিল, কোন ঘরে কে থাকতো জানার উপায় নেই। এত বড় জমিদার বাড়ির নিদারুণ দশায় আফসোস হচ্ছিলো খুব।
এ বাড়িটি ঘিরে প্রতি বছর হিন্দু সম্প্রদায় তিন দিনব্যাপী একটি উৎসব পালন করে থাকে। এখনো প্রতি বছর ফাল্গুন মাসে সনাতন ধর্মালম্বীরা এই উৎসবটি পালন করেন। উৎসবটিতে ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার লোকের সমাগম ঘটে। তখন বিশ থেকে পঁচিশ হাজার লোক হয়। উৎসবকালীন সময়ে জমিদারের বর্তমান প্রজন্মের বংশধরেরা আসেন। হাবিব মামা হাত তুলে দেখিয়ে দিলেন, কোন জায়গাটিতে পূজোর আয়োজন করা হয়।
এই বাড়িটির ছাদে ওঠা যায়নি। সোর্স: লেখিকা

কীন নামক একটি বাংলাদেশি কোম্পানী জমিজমা, পুকুর, ভবন সহ সব কিছু কিনে নিতে চেয়েছিল। কিন্তু মালিক পক্ষ বিক্রি করছেন না। আমার মনে হয় বিক্রি করে দিলেই ভালো হতো। অন্তত কোম্পানিটি যদি মেরামত করে, এগুলোকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পারেন, তাহলে মন্দ হতো না। কারণ বছরকার উৎসবটি শেষ হলেই বাড়িটি মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়। কখনও কখনও এই বাড়ি দেখতে এসে যৌন হয়রানির শিকার হয় তরুণীরা।
এটা কিসের ঘর, বুঝিনি। সোর্স: লেখিকা

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এটি ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে। চারদিক লতাপাতায় জরাজীর্ণ হয়ে রয়েছে। বাড়িটি এখনও ব্যক্তিমালিকানায় রয়েছে বলে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে এখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু করা যাচ্ছে না। আচ্ছা, মালিকপক্ষ যেহেতু বাড়িটির দেখভাল করছেন না, তাহলে এটিকে প্রশাসনের আওতায় ছেড়ে দিচ্ছেন না কেন? প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাধীন হলে বাড়িটি অন্তত আরোও কিছুদিন টিকে থাকবে। কিন্তু কে কাকে বোঝাবে?
আমি ছুটে বেড়াই প্রাচীনতার টানে। সোর্স: লেখিকা

কীভাবে যাবেন:

ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে প্রথমে আপনাকে আসতে হবে ফেনী। ঢাকা থেকে ফেনীর বাস ভাড়া ২৭০ টাকা, আর ট্রেনে রাত সাড়ে দশটার চট্টগ্রাম মেইলে
আসলে ভাড়া মাত্র ৯০ টাকা। বাসে এলে মহিপালেই নেমে যেতে পারেন। মহিপাল থেকে উঠবেন নোয়াখালীগামী বাসে। বলবেন সেবারহাট বাজারে নামিয়ে দিতে। সেবারহাট বাজার পড়েছে নোয়াখালী জেলায়, ফেনী জেলার শেষ সীমানা থেকে দূরত্বমাত্র এক কিলোমিটার। সেবারহাট বাজারে বাস থেকে নেমে বাজারের বাঁ পাশে (উত্তরপাশে) চলে আসুন। একটা লোহার ব্রিজ আছে, কাউকে প্রতাপপুর যাওয়ার সিএনজির কথা বললেই দেখিয়ে দিবে। সিএনজিতে উঠে পড়ুন। ভাড়া নেবে ২০ টাকা। রাস্তার দুপাশে ধানক্ষেত, গ্রাম্য বাড়িঘর, অপূর্ব সুন্দর গ্রামের হাজার রূপ দেখতে দেখতে পৌঁছে যাবেন প্রতাপপুর বাজারে। বাজারের পাশেই প্রতাপপুর জমিদার বাড়ি।
তথ্যসূত্র:
http://www.sangbadprotikkhon.com/2017/07/19/
https://www.jugantor.com/news-archive/our-chittagong/2017/05/20/126166/
ফিচার ইমেজ: লেখিকা

Loading...

2 Comments

Leave a Reply
  1. আপনি থাকাতে দেশে কয়টা জমিদারবাড়ী আছে জানতে পারছি 🙂

  2. এটি আমার নিজ ইউনিয়নে …বিস্তারিত তুলে ধরার জন্যে thanx

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়াখানা হোসেনি দালান ভ্রমণ

এক সপ্তাহে ঘুরে আসুন সিঙ্গাপুরের দুর্দান্ত সব ভ্রমণস্থান থেকে