বিশালতার সন্ধানে পতেঙ্গার পথে

যান্ত্রিকতার বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করার মধ্যে যে আনন্দ থাকে তা নিশ্চয় অন্য কোনো উপায়ে লাভ করা যায় না। প্রকৃতিই আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় মনুষ্য জন্মের প্রকৃত স্বরূপ; যা আমরা আজ ভুলতে বসেছি।

ছোটবেলা থেকেই আকাশ, সাগর ও পাহাড়ের প্রতি আমি এক ধরনের টান অনুভব করি। হয়তো তাদের বিশালতাকে নিজের করে পাওয়ার মোহ থেকে বা নিজেই বিশালতার মাঝে বিলীন হওয়ার সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা থেকে। হবে হয়তো কিছু একটা। তবে আমি কেবল সৌন্দর্য উপভোগ করার বাসনা থেকেই তাদের কাছে ছুটে যাই। আর এটাই ভ্রমণকে বেশি আনন্দদায়ক করে তোলে।

কিছুদিন আগেই পরীক্ষা শেষ হয়েছে অথচ সেই অস্বস্তিকর ভাবটা এখনো কাটেনি। সমাপনী পরীক্ষার চাপে মস্তিষ্কটা কেমন যেন গ্যাস সিলিন্ডারে পরিণত হয়ে আছে। একেবারেই অলস সময় কাটছিল তাই ক্যামেরা হাতে বেরিয়ে পড়লাম আকাশ, সাগর আর পাহাড়ের শহর চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে

আমাদের এখান থেকে চট্টগ্রাম যেতে হলে ঢাকা হয়ে যেতে হয়। তাই ঢাকায় গিয়ে রাতের গাড়িতে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। আমি আগেই জানতাম ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েতে অনেক লম্বা জ্যাম হয়, তাই সাথে কিছু পপকর্ণ নিয়ে নিলাম। জ্যামে বসে থাকা ধৈর্যের ব্যাপার কিনা। আমি আবার যেখানে ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয় সেখানে পপকর্ণ সাথে রাখি, বেশ কাজে দেয়।

রাত তখন আনুমানিক ২-৩টা বাজে। গাড়ি গিয়ে থামল একটা আলো-ঝলমলে রেস্টুরেন্টের সামনে। গাড়ির সুপারভাইজার বলল এখানে আমরা কুড়ি মিনিটের যাত্রা বিরতি করব, আপনারা এখান থেকে রাতের খাবার খেয়ে নিতে পারেন। ওদিকে রেস্টুরেন্টের ভেতর থেকে স্পিকারের মাধ্যমে যাত্রীদেরকে স্বাগতম জানানো হচ্ছে। রেস্টুরেন্টের নামটা মনে নেই তবে যায়গাটা কুমিল্লার মধ্যবর্তী।

এখান থেকে ফ্রেশ হয়ে কিছু খাওয়া-দাওয়া করে নিলাম। আর সঙ্গে নিলাম এখানকার বিখ্যাত রসমালাই। বাংলাদেশের অন্য কোথাও এত সুস্বাদু রসমালাই পাওয়া যায় কিনা আমার জানা নেই।

কুমিল্লার রসমালাই। Source: Youtube

ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে। আর সূর্যের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের গাড়িরও যেন ক্রমে গতি বাড়ছে। সেই সাথে শরীরের ক্লান্তিও যেন মিলিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু নিজেকে কেন এত ফুরফুরে মনে হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দুইটি ব্যাপার সামনে এলো। এক, ভোরের আলো দেখে মনের সমস্ত অবসাদ দূর হয়েছে বলে। দুই, গাড়ি দ্রুত গতিতে চললে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছব এই ভাবনার কারণে। কোন কারণে জানি না, তবে দুটিই সত্য।

ভোরের আলোয় রাস্তার দুই দিকটা বেশ ভালোই দেখা যাচ্ছিলো। আমি রাস্তার বাম পাশে দূরে একটা পাহাড় দেখছিলাম। গাড়ি এত দ্রুত এগুচ্ছে কিন্তু পাহাড়টা যেন শেষই হচ্ছে না। মাঝে মাঝে দূরে চলে যাচ্ছে আবার মাঝে মাঝে কাছে চলে আসছে। আর এমন সময় “দূরে ঐ পাহাড় মিশেছে নীল আকাশে” গানটি বেজে উঠল। গাড়ির সুপারভাইজারের হয়তো আমার মতো পাহাড় প্রীতি রয়েছে। তাই বুঝি এমন সিলেকশন!


লম্বায় বিশাল আকৃতির এই পাহাড় ঢাকা-চিটাগাং হাইওয়ের যাত্রীদেরকে অনেকক্ষণ ধরে সঙ্গ দেয়। Source: travelcomilla.blogspot.com

পাহাড়টির নাম লালমাই পাহাড়। এ পাহাড়ের মাটি লাল হওয়ায় এর নাম লালমাই। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও বড়ুরা উপজেলা জুড়ে এই পাহাড় বিস্তৃত। এটি উত্তর দক্ষিণে ১১ মাইল লম্বা ও পূর্ব-পশ্চিমে ২ মাইল চওড়া। এই পাহাড়ের সর্বোচ্চ উচ্চতা ৫০ ফুট।

লালমাই পাহাড় শেষ হওয়ার পর অনেক দূর পর্যন্ত আর কোনো পাহাড় চোখে পড়ে না। এভাবে যেতে যেতে একপর্যায়ে শুরু হলো পাহাড়ের লুকোচুরি খেলা। কখনো পাহাড়, কখনো টিলা আবার কখনো উঁচু-নিচু বিল্ডিং। মনের মধ্যে একটা উত্তেজনা কাজ করছিল; এই বুঝি পৌঁছে গেছি!

রাস্তার পাশের সাইনবোর্ড থেকে জায়গার নামটা পড়ার চেষ্টা করলাম। জায়গাটির নাম সীতাকুণ্ড। এখানে একটা নাম করা পাহাড় আছে যা ভ্রমণ পিপাশুদের চিত্তের ক্ষুধা মিটাতে পারে। পাহাড়টি চন্দ্রনাথের পাহাড় নামে পরিচিত।

অলঙ্কার পৌঁছাতে সকাল আটটা বাজল। এখানেই ঢাকা থেকে আসা সব গাড়ির শেষ স্টেশন। যাত্রীবাহী পরিবহনের ওপাশে যাওয়ার অনুমতি নেই। তাই এখানেই নামতে হলো। এখান থেকে একটা সিএনজি করে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে গিয়ে পৌঁছলাম। রাস্তায় আধ-ঘণ্টার মতো লেগেছিল। অলংকার থেকে পতেঙ্গা সী-বীচ আসতে চট্টগ্রামের দুইটি ইপিজেডই পেরিয়ে আসতে হয়।

আর সেখানকার অধিকাংশ কারখানার কার্যক্রম শুরু হয় সাতটা এবং নয়টায়। তাই অদৃষ্টকে বার বার ধন্যবাদ জানাচ্ছিলাম। আর একটু পরে আসলে হয়তো জ্যামের কারণে এক ঘণ্টায়ও আসতে পারতাম না। বন্দর নগরী চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে পতেঙ্গা সী-বীচ অন্যতম। এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৪ কি.মি. দূরে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় নেভাল একাডেমী ও এয়ারপোর্টের নিকটে অবস্থিত।

আর এটিই আমার প্রথম দিনের গন্তব্য। সী-বীচ পৌঁছে প্রথমেই একটা হোটেলে উঠলাম। আগে বুক না থাকা স্বত্বেও রুম পেতে বেশি ধকল পোহাতে হলো না। কারণ এখানে ভিড় জমে কেবল শীতকালে আর সরকারি ছুটির দিনে। আমি যখন গিয়েছি তখন না শীতকাল, না তো সরকারি ছুটির দিন।

সেই দিক থেকে আমি ভাগ্যবান। সরকারী ছুটির দিনে এখানে পা ফেলা দুষ্কর হয়ে যায়। আর যেখানে মানুষের সমাগম, সেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার কোনো পরিবেশ বা অবকাশ কোনটিই থাকে না। তখন প্রকৃতিও হয়ে ওঠে যান্ত্রিক।

আমার হোটেল থেকে সমুদ্র স্পষ্ট দেখা যায়। আর সেখান থেকে সমুদ্রের গন্ধ পেয়ে আমার আর তর সইছিলো না। বেশি দেরি না করে কোন রকম নাকে-মুখে নাস্তাটা সেরে বেরিয়ে পড়লাম। সাগর পাড়ের উঁচু বেড়ি-বাঁধের উপরে উঠতেই মনটা এক নিমেষে ফুরফুরে হয়ে গেলো। বেড়ি বাঁধ থেকে সাগরের দিকে নামার সময় কিছু ফটোগ্রাফার এসে টানাটানি শুরু করে দিয়েছিলো।

আর এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে বাঁচার জন্য ব্যাগ থেকে ক্যামেরাটা বের করে গলায় ঝুলিয়ে নিলাম। বালুচরের উপর চোখে পড়ল আরও কিছু বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড যা পর্যটকদের আনন্দ যোগাচ্ছে। কেউ ২০ টাকার বিনিময়ে ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হওয়ার স্বাদ নিচ্ছে, কেউ সী-বাইকে চড়ছে, আবার কেউ কেউ স্পিড-বোট বা নৌকায় চড়ে সাগরের ঢেউয়ের সাথে আছড়ে পড়ে রোমাঞ্চকর অনুভূতি লাভ করছে।

কেউ বা স্পিডবোটের মজা নিচ্ছে; Source: framepool.com

সাগরের ঢেউয়েরা যেখানে মিলিয়ে যাচ্ছিল, আমি সেখানে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিলাম। বুকটা যেন কোনো এক অলৌকিক বাতাসে ভরে উঠলো; জীবনের সমস্ত বিস্বাদ এক নিমেষে গ্রাস করে নিলো।

সমস্ত কষ্টের স্মৃতিগুলো যেন ফিকে হয়ে গেলো আর রঙিন শৈশবের দিনগুলো উজ্জ্বলতর বর্ণ ধারণ করে স্মৃতির পাতায় খেলা করতে লাগল। সমুদ্রের এই একটা মহত্তর আমাকে বার বার তার কাছে টেনে আনে। সে তার বিশাল গর্ভে মানুষের সমস্ত অবসাদ বিলীন করে দেয় আর তরঙ্গময় ঢেউয়ের সাথে উপহার দিয়ে যায় অনাবিল সুখ।

এমন অগনিত ঢেউ তীরের দিকে ছুটে আসে। Source:Youtube

দুপুরবেলা হোটেলে ফিরে স্নান আর খাওয়া-দাওয়া সেরে ক্লান্তিতে চোখটা কেমন জড়িয়ে আসছিল, তাই দুই ঘণ্টার মতো ঘুমিয়ে নিলাম। বিকেলে গেলাম নেভাল বীচে। সী-বীচ থেকে এখানে যেতে পনেরো মিনিটের মতো লাগে।

বাংলাদেশের একমাত্র খরস্রোতা নদী কর্ণফুলী নদীর মোহনায় গড়ে ওঠা এই বীচে বিকালটা বেশ ভালোই কাটে। ব্যস্ততম নগরের নানান রকমের মানুষ আসে এখানে; একটু মুক্ত বাতাস লাভের আশায়। প্রিয়জনদের সাথে বা বন্ধুদের সাথে আড্ডায় মেতে ওঠে অনেকে।

যারা কাঁকড়া পছন্দ করেন তারা মেতে ওঠে কাঁকড়ার প্লেটে। পাশাপাশি দুইটি বীচের নিয়মিত পর্যটকদের মধ্যে অধিকাংশই কাঁকড়া পছন্দ করেন। আমিও চেখে দেখার উদ্দেশ্যে এক প্লেট কাঁকড়া নিয়ে বসে গেলাম। কিছুটা মুখে নিয়ে অখাদ্য মনে হলো না তাই আরও কিছু নিলাম। এবার ভালোই লাগল তাই পুরোটাই খেয়ে নিলাম।

সুস্বাদু কাঁকড়া; Source: mingkeerestaurant.com

সন্ধ্যার ঠিক পূর্বে সূর্যাস্ত দেখার উদ্দেশ্যে সী-বীচে ফিরে এলাম। যেমনটা শুনেছিলাম সূর্যাস্তের দৃশ্যটা তার থেকে কিছু কম ছিল না বরং বেশিই সুন্দর ছিল। সূর্য যখন সমুদ্রের জলে অবগাহন করতে রত হয় তখন সম্পূর্ণ বীচটিই এক নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে সেজে ওঠে, যা সৌন্দর্য প্রেমীদের মনকে নিমেষেই পুলকিত করে দেবে।

সন্ধ্যার পর এখানে একটি কাজই সব থেকে উপযুক্ত তা হলো বার্মিজ মার্কেটে কেনাকাটা করা। ঘুরতে থাকলাম বার্মিজ মার্কেটে; দেখতে লাগলাম নানান রকমের বার্মিজ জিনিস। ঝিনুকের তৈরি বিভিন্ন প্রকার গৃহসজ্জার সামগ্রী সহ, মেয়েদের সাজসজ্জার জন্য চোখ ধাঁধানো সব আয়োজন রয়েছে এখানে।

এছাড়াও রয়েছে সামুদ্রিক মাছের শুঁটকি, বাচ্চাদের খেলনা, পোশাক-আশাক ইত্যাদি। এতসব আয়োজন দেখতে দেখতে আচারের দোকানে গিয়ে চোখ আটকে গেলো। এখানে নানান স্বাদের আচার রয়েছে। কোনো আচার প্রেমী যদি এতো স্বাদের আচার একসাথে দেখে তবে নিশ্চয় একটিও ছাড়তে চাইবেন না।

শুটকি মার্কেটের দৃশ্য; Source: Traveler.Video

কেনাকাটা শেষে হোটেলে ফিরতে ফিরতে রাত দশটা বেজে গেছে; ফ্রেশ হয়ে খাওয়া-দাওয়া শেষ করতে এগারটা। এবার বারান্দার খোলা হাওয়ায় গা এলিয়ে বসলাম আর উপভোগ করতে থাকলাম মিনি কক্সবাজার খ্যাত সী-বীচের রাতের সৌন্দর্য। রাতের আঁধারে সাগরের বুকে জ্বলে থাকা জাহাজের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আলোগুলো যেন এক একটা রঙিন স্মৃতি হয়ে ধরা দিচ্ছিল আর চাঁদের আলোয় সেগুলো হয়ে উঠছিল মায়াবী।

কীভাবে যাবেন

পতেঙ্গা যেতে হলে আপনাকে প্রথমে চট্টগ্রাম যেতে হবে। চট্টগ্রামে যেতে হলে বাস, ট্রেন এবং বিমান এই তিন মাধ্যমের যে কোনো একটি বেছে নিতে পারেন।

বাসে বা সড়ক পথে চট্টগ্রাম

কমলাপুর টার্মিনাল থেকে বিআরটিসির বাস পাবেন আর সায়েদাবাদ থেকে আসতে চাইলে অনেক পরিবহন পাবেন যেমন: সৌদিয়া, শ্যামলী, সোহাগ, ইউনিক প্রভৃতি। ভাড়া: ৪০০-৫০০ টাকা।
এসি বাসে যেতে চাইলে গ্রীনলাইন, সোহাগ, হানিফ প্রভৃতি পরিবহনে যেতে পারবেন। ভাড়া: ৮৫০-১,১০০ টাকা।

ট্রেনে বা রেল পথে চট্টগ্রাম

ট্রেনে ঢাকা-চট্টগ্রামের রুটে মহানগর প্রভাতী ঢাকা ছাড়ে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে, চট্টলা এক্সপ্রেস সকাল ৯টা ২০ মিনিটে, মহানগর গোধূলি ঢাকা ছাড়ে বিকেল ৩টায়, সুবর্ণ এক্সপ্রেস ঢাকা ছাড়ে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে, তূর্ণা ঢাকা ছাড়ে রাত ১১টায়। ভাড়া: ১৬০ থেকে ১,১০০ টাকা।

বিমানে বা আকাশপথে চট্টগ্রাম

ঢাকা থেকে বাংলাদেশ বিমান (০২-৯৫৬০১৫১-১০), জিএমজি এয়ারলাইন্স (০২-৮৯২২২৪৮) ও ইউনাইটেড এয়ার (০২-৮৯৫৭৬৪০), রিজেন্ট এয়ারে (০২-৮৯৫৩০০৩) সরাসরি চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। আর বিমান বন্দর থেকে সী-বীচ ৫-৭ মিনিটের দূরত্ব।

চট্টগ্রাম থেকে পতেঙ্গা

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে। চট্টগ্রাম শহর থেকে সিএনজিতে করে যেতে সময় লাগে প্রায় এক ঘণ্টা। ভাড়া: ২০০ টাকার মতো। আর বাসে যেতে চাইলে লালখান বাজার মোড়, বহদ্দার হাট, নিউ মার্কেট, জিইসি মোড়, চক বাজার মোড় থেকে সরাসরি বাস পাবেন।

কোথায় থাকবেন

সৈকতের কাছে হোটেল: বাটারফ্লাই পার্ক রেস্ট হাউস।
ভাড়া: ৪০০০-৭০০০ টাকা। ফোন- ০১১৯৫০১০৫০০, ০১১৯৫০১০৬০১।
এছাড়া চট্টগ্রাম শহরে নানান মানের হোটেল আছে। নিচে কয়েকটির নাম দেওয়া হলো।

১. হোটেল প‌্যারামাউন্ট, স্টেশন রোড, চট্টগ্রাম: নতুন ট্রেন স্টেশনের ঠিক বিপরীতে। ভাড়া: নন এসি সিঙ্গেল ৮০০ টাকা, ডাবল ১,৩০০ টাকা, এসি ১,৪০০ টাকা ও ১,৮০০ টাকা। বুকিং এর জন্য: ০৩১-২৮৫৬৭৭১, ০১৭১-৩২৪৮৭৫৪

২. হোটেল এশিয়ান এসআর, স্টেশন রোড, চট্টগ্রাম। ভাড়া: ১,০০০ টাকা, নন এসি সিঙ্গেল। এসি: ১,৭২৫ টাকা। বুকিং এর জন্য – ০১৭১১-৮৮৯৫৫৫

৩. হোটেল সাফিনা, এনায়েত বাজার, চট্টগ্রাম। ভাড়া: ৭০০-১,৩০০ টাকা।

৪. হোটেল ল্যান্ডমার্ক, ৩০৭২ শেখ মুজিব রোড, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম। ভাড়া: ২,৩০০-৩,৪০০ টাকা। বুকিং এর জন্য: ০১৮২-০১৪১৯৯৫, ০১৭৩১-৮৮৬৯৯৭

এছাড়াও চট্টগ্রামে রয়েছে থ্রি-স্টার ও ফোর-স্টার মানের বেশ কয়েকটি হোটেল। যেমন- হোটেল আগ্রাবাদ, দি পেনিসুলা চিটাগাং প্রভৃতি।

Loading...

One Comment

Leave a Reply

One Ping

  1. Pingback:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনন্য সৌন্দর্য ঘেরা আড়িয়াল বিল ভ্রমণের এখনই সময়

সুস্থ বিনোদনের মাধ্যম নিরিবিলি পিকনিক স্পট