E T B এর ইভেন্ট: ঈদের ছুটিতে মেঘালয় ও শিলং ভ্রমণ

স্কুল জীবনে ভুগোল বইতে পড়তাম পৃথিবীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জিতে। সেই সময় থেকে ইচ্ছে ছিল এই জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার কিন্তু হয় হয় করে আর হয়ে ওঠেনি। অথচ চেরাপুঞ্জি আমাদের দেশের সীমান্ত থেকে খুবই কাছে এমনকি বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র ২০ কিঃমিঃ এর চেয়েও কম দূরত্বে। আর মেঘালয় রাজ্যে এমন অনেক ঝর্ণা আছে যেখানে আপনি বিনা পরিশ্রমেই চলে যতে পারবেন ঝর্ণা দেখতে। তো এই সুযোগ কি আর মিস করা যায়? তো এবার মনস্থির করেছি এবারের কোরবানীর ঈদে যাবোই যাবো এই ঝর্ণা এবং বৃষ্টির সাম্রাজ্যে।
এবারের প্ল্যানটা কিছুটা এই রকমঃ
২৪ শে আগষ্টঃ রাতের বাসে সিলেটের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ।
২৫ শে অগাষ্টঃ সকালে সিলেটে নেমে নাস্তা সেরে উঠে পড়বো সিএনজি অথবা বাসে তামাবিল যাওয়ার জন্য। তামাবিল নেমে আমাদের বর্ডার ক্রসের সকল কার্যাদি সম্পন্ন করে আমরা চলে যাব বরহিল ঝর্ণা (আমরা যাকে পান্থুমাই ঝর্ণা নামে চিনি) দেখতে। ঐ দিন আমরা আরো দেখবো এশিয়ার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম মাওলিনং এবং লিভিং রুট ব্রীজ। দুপুরের খাবার সেরে নেব মাওলিনং ভিলেজেই। এগুলো দেখা শেষ করে আমরা চলে যাবো শিলং শহরে। এই রাত শিলং শহরেই কোন এক হোটেলে থাকবো।
২৬ শে অগাষ্টঃ খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতে হবে এই দিন। ঘুম থেকে উঠেই আমরা রওনা হব চেরাপুঞ্জির দিকে। এ দিন সারা দিন আমরা যেসব জায়গায় ঘুরবো সেগুলো হলঃ ডাবল ডেকার রুট ব্রীজ ওয়াদখা ফলস, নোকেলিকাই ফলস, সেভেন সিস্টার ফলস, Mawsumi cave, Mawkodok view point। আবারো শিলং এ রাত্রি যাপন।
২৭ শে অগাষ্টঃ এই দিন আমরা শিলং পিক, এলিফেন্ট ফলস, উমিয়াম লেক, ওয়ার্ড লেক, এইসব দেখে আমরা চলে যাব শ্নোনেং পেডেং গ্রামে। আজ রাত এ গ্রামের কটেজেই কাটাবো।
২৮ শে অগাষ্টঃ সকালে ঘুম থেকে উঠেই চলে যাবো শ্নোনেং পেডেং গ্রামের সচ্ছ পানির সেই নদীতে। সেখানে লাফিয়ে ঝাপিয়ে সময় কাটাবো। এবং দুপুরের খাবার খেয়ে রওনা বাংলাদেশের দিকে সন্ধ্যায় সিলেট চলে আসবো রাতের বাসে সিলেট থেকে ঢাকা চলে আসবো।
ইভেন্ট ফিঃ ১২,৫০০/- টাকা জনপ্রতি (ভ্রমন ট্যাক্স এবং ভিসা ফি অন্তভুক্ত নয়)
কাপল পলিসি: ১৩,৫০০/- টাকা জন প্রতি
ভ্রমণ কাল: ৪দিন ৫ রাত
ভ্রমণের ধরন: রিল্যাক্স
টিম মেম্বারঃ ০৯ জন
যেসব জিনিষ থাকলে আপনি আমাদের এই ইভেন্টে অংশগ্রহন করতে পারবেনঃ
১। পাসপোর্ট
২। শিলং বর্ডার দিয়ে ভারতীয় ভিসা। (ভিসা করানো না থাকলে আমরা সাহায্য করবো ভিসা করিয়ে দেয়ার)
৩। ভ্রমণ সুলভ মনমানসীকতা।
এ টাকায় যা যা থাকবেঃ
১। সকল ধরনের পরিবহন খরচ ঢাকা- ঢাকা।
২। প্রতি দিন ২ বেলা মুল খাবার এবং সকালে নাস্তা।
৩। গাইড সার্ভিস।
৪। হোটেল এবং কটেজে শেয়ারড বেসিসে থাকা।
৫। সকল ধরনের প্রবেশ টিকিট।
যা যা থাকবে নাঃ
১। ভিসা প্রসেসিং এর খরচ
২। ট্রাভেল ট্যাক্স
৩। ব্যাক্তিগত মেডিসিন
৪। ব্যাক্তিগত খরচ
৫। স্পীড মানি
আমরা এই ট্যুরে যে সব জায়গা দেখবোঃ
১। বরহিল ফলস
২। মাওলিনং ভিলেজ
৩। লিভিং রুট ব্রীজ
৪। ডাবল ডেকার রুট ব্রীজ
৫। ওয়াদখা ফলস,
৬। নোকেলিকাই ফলস,
৭। সেভেন সিস্টার ফলস,
৮। Mawsumi cave,
৯। Mawkodok view point
১০। শ্নোনেং পেডং গ্রাম
যে সব কাগজ পত্র লাগবে ভিসা করতেঃ
১। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট। পুরাতন কোন পাসপোর্ট থাকলে তা অবশ্যই সাথে দিতে হবে।
২। ৩ কপি ২”-২” ছবি।
৩। পাসপোর্টের ৩ কপি ফটোকপি।
৪। জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি।
৫। ব্যাংক স্টেটম্যন্ট বিগত ছয় মাসের এবং এতে কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা ব্যালেন্স থাকতে হবে। যাদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে সমস্যা তারা ব্যাংক থেকে ডলার এনডোরস করিয়ে নিতে পারেন। এতে ৩০০-৪০০ টাকা খরচ পরবে।
৬। ছাত্র হলে তার বিদ্যালয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি। চাকুরীজীবি হলে NOC (No Objection Certificate) এবং ভিসিটিং কার্ড —ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি এবং ভিসিটিং কার্ড দিতে হবে।
৭। বিগত ৩ মাসের যে কোন একটি ইউটিলিটি বিলের (বিদ্যুৎ বিল অথবা টেলিফোন বিল) মূলকপি এবং ফটোকপি।
নোটঃ প্রত্যেকটি ডকুমেন্ট যেগুলো আমাদেরকে জমা দিবেন, সবগুলোর কপি সাথে রাখবেন এবং যাবার দিন সাথে নিয়ে যাবেন।
NOC পেপার বাংলাদেশের বর্ডারে দেখতে চায়,তাই সেটি অবশ্যই কয়েকটি কপি করে নিবেন।
কনফার্ম করার নিয়মাবলীঃ
যারা যারা যেতে আগ্রহী তারা অবশ্যই ৫,১০০/- টাকা বিক্যাশে জমা দিয়ে আপনার আসন কনফার্ম করতে পারেন। বিক্যাশ করার পর আপনার ফেসবুক নাম , ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার, এবং যে নাম্বার থেকে টাকা পাঠিয়েছেন তার শেষ ৩ ডিজিট আমাদের বিক্যাশ নাম্বারে ম্যাসেজ করবেন এবং আমাদের ইভেন্ট পেজে কি আপনি টাকা বিক্যাশে প্রেরন করেছেন তার জন্য একটা পোষ্ট দিবেন।
বিক্যাশ করতে পারেনঃ
০১৯১৬২২২৩৯৯ (পারসোনাল)
০১৮৮৩৬৯৭৭২৮(পারসোনাল)
ব্যাংকঃ
ব্যাংক একাউন্টেও টাকা জমা দিতে পারেন।
Bank Name: Dutch Bangla Bank Limited
Branch Name: Islampur Branch, Dhaka.
Account Name: Setu Chandra Das
Account Number: 118-101-52701
অথবা
সরাসরি দেখা করে হাতে হাতে টাকা জমা দিয়ে ও কনফার্ম করতে পারেন।
আমাদের সাথে দেখা করার ঠিকানাঃ
অফিসঃ
Extreme Trekker of Bangladesh [ETB]]
3/7-এ জনসন রোড, ভিক্টোরিয়া পার্ক, নগর সিদ্দীক প্লাজা, ২য় তলা, দোকান নং-১০২, (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের বিপরীত পাশের বিল্ডিং)
ভ্রমন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য :
সেতু- ০১৯১৬২২২৩৯৯ /০১৮৮৩৬৯৭৭২৮
আরজু- ০১৫৩৩০৭৪৭৪৪

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশ্ব ভাষাবিজ্ঞানের জনক কর্ণেল উইলিয়াম জোনসের কুটির

বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানে ঝড়-বৃষ্টিতে ক্যাম্পিং ও ট্রেকিং করে হাজারিখিল