বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরী মন্দির ভ্রমণ

গত বছর দুর্গাপূজার সময় হুট করে ঢাকায় আসা হয়েছিল। তারপর প্ল্যান প্রোগ্রাম ছাড়াই “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার” এই স্লোগানের সাথে তাল মিলিয়ে চলে গিয়েছিলাম জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরীতে। ঘুরে ঘুরে দেখেছিলাম দুর্গোৎসব। তারপর অনেকদিন পেরিয়ে গেলেও আর যাওয়া হয়নি। অথচ প্রায়ই মন্দিরের সামনে দিয়ে যাই। সেদিন ঠিক করেছিলাম, পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা দেখব। সেই সুবাদে আরোও একবার যাওয়া হলো ঢাকেশ্বরী মন্দিরে।

প্রবেশদ্বার। সোর্স: লেখিকা

ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রধানত দুর্গা মন্দির। অনেকে একে কালিমন্দির বলে থাকেন যা একেবারেই ভুল। শুরু থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরটি দুর্গা প্রতিমার স্থায়ী মন্দির। প্রথম দিকে এখানে ছিল অষ্টভুজার প্রতিমা। পরবর্তী সময় স্থাপন করা হয় দশভুজার দুর্গা প্রতিমা।
ঢাকার বৃহৎ যে কয়েকটি পূজা মণ্ডপ আছে ঢাকেশ্বরী মন্দির তার মধ্যে অন্যতম। পূজার শুরু থেকে দশমীর দিন পর্যন্ত আনুমানিক গড়ে ৭০-৮০ হাজার পুণ্যার্থী এখানে মায়ের আরাধনা করতে আসে। কালের বিবর্তনে মন্দিরের আকারগত অনেক পরিবর্তন হলেও মায়ের প্রতি ভক্তকুলের আরাধনা আর ভক্তির কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই মন্দিরে পূজা দিতে আসা ভক্তকূল প্রতি বছর একবার হলেও দুর্গাপূজাতে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আসে। এখানকার খোলামেলা পরিবেশ লোকজনকে অনেক মুগ্ধ করে।
দেয়াল লিখন: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সোর্স: লেখিকা

প্রতিমা নির্মাণে এখানে প্রতি বছর ভিন্নতা আনার চেষ্টা করা হয়। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে আর মায়ের প্রতি ভক্তি উৎসর্গ করে প্রতি বছর নবরূপে মাকে সাজানো হয়। ১৯৭৮ সাল থেকে আজ পর্যন্ত মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে।
এককালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ঢাকের শব্দ বহুদূর থেকে শোনা যেত। এখন আর তা বহুদূর থেকে শোনা যায় না, তবে ভক্ত হৃদয় ছুঁয়ে সেই শব্দ ছড়িয়ে পড়ে দেশের প্রান্ত ছাড়িয়ে, সীমানা পেরিয়ে।
এখানে দুর্গা পুজার স্থায়ী বেদি রয়েছে। সোর্স: লেখিকা

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ইতিহাস সম্পর্কে নানা কাহিনী প্রচলিত আছে। ধারণা করা হয় যে, সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেন দ্বাদশ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এটা ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, রাজা বিজয় সেনের স্ত্রী স্নান করার জন্য লাঙ্গলবন্দ গিয়েছিলেন। ফিরে আসার সময় তিনি একটি পুত্রকে জন্ম দেন, যিনি বল্লাল সেন বলে ইতিহাসবিদদের কাছে পরিচিত হন। সিংহাসনে ওঠার পর, বল্লাল সেন তাঁর জন্মস্থানকে মহিমান্বিত করার জন্য এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। কিংবদন্তীগণ বলছেন যে, বল্লাল সেন একবার জঙ্গলে আচ্ছাদিত দেবতার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বল্লাল সেন সেখানে দেবীকে আবিষ্কৃত করেন এবং একটি মন্দির নির্মাণ করান, মূর্তিটি ঢাকা ছিল বলে ঢাকেশ্বরী নামকরণ হয়।
তবে সেই সময়কার নির্মাণশৈলীর সাথে এর স্থাপত্যকলার মিল পাওয়া যায় না বলে অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন। কেননা ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানদের আগমনের পূর্বে তথা সেন রাজবংশের রাজত্বকালে বাংলার স্থাপত্যশিল্পে মর্টার হিসেবে চুন-বালি মিশ্রণের ব্যবহার ছিল না। কিন্তু ঢাকেশ্বরী মন্দিরটি আগাগোড়াই চুন-বালির গাঁথুনিতে নির্মিত, যা বাংলার মুসলিম আমলেরই স্থাপত্য রীতির বৈশিষ্ট্য। বিভিন্ন সময়ে এই মন্দিরের গঠন ও স্থাপনার নানা ধরনের পরিবর্তন সাধন করা হয়েছে।
ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রধানত দুর্গা মন্দির। সোর্স: লেখিকা

কিংবদন্তীগণ বর্ণনা করেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ঢাকেশ্বরীকে ঢাকার প্রসিদ্ধ দেবী হিসেবে বিবেচনা করে, যা দেবী দুর্গা বা আদী পরামহাশক্তির একটি রূপ। দেবী ঢাকেশ্বরীর আসল ৮০০ বছর পুরোনো বিগ্রহটি বর্তমানে বিরাজ করছে কলকাতার কুমারটুলি অঞ্চলে দুর্গাচারণ স্ট্রিটে। মন্দিরের নাম শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী মাতার মন্দির। এখন যে বিগ্রহটি ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আছে তা মূল মূর্তির প্রতিরূপ। দেশ ভাগের সময় কয়েক লক্ষ ভিটেমাটি হারা মানুষের সঙ্গে তিনিও ঢাকা ছেড়ে কলকাতায় আসেন। দেশভাগ-পরবর্তী দাঙ্গার সময় সম্ভাব্য আক্রমণ এবং লুণ্ঠনের হাত থেকে দেবীকে রক্ষা করতে ঢাকার মূল বিগ্রহটিকে গোপনে এবং দ্রুততার সঙ্গে ১৯৪৮ সালে কলকাতায় নিয়ে এসেছিলেন রাজেন্দ্রকিশোর তিওয়ারি (মতান্তরে প্রহ্লাদকিশোর তিওয়ারি) এবং হরিহর চক্রবর্তী।
বিশেষ একটি বিমানে ঢাকেশ্বরীর আসল বিগ্রহটি কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছিল। কলকাতায় বিগ্রহটি আনার পর প্রথম দু’বছর হরচন্দ্র মল্লিক স্ট্রিটে দেবেন্দ্রনাথ চৌধুরির বাড়িতে দেবী পূজিতা হন। পরে ১৯৫০ সালে ব্যবসায়ী দেবেন্দ্রনাথ চৌধুরী কুমোরটুলি অঞ্চলে দেবীর মন্দির নির্মাণ করে দেন। দেবীর নিত্য সেবার জন্য কিছু দেবোত্তর সম্পত্তি দান করেছিলেন এবং অদ্যাবধি এখানেই দেবী পূজিতা হয়ে চলেছেন। দেবী বিগ্রহের উচ্চতা দেড় ফুটের মতো, দেবীর দশ হাত, কাত্যানী মহিষাসুরমর্দিনী দূর্গা রূপেই তিনি অবস্থান করছেন। পাশে লক্ষী, সরস্বতী ও নিচে কার্তিক ও গণেশ। বাহন রূপে পশুরাজ সিংহ দণ্ডায়মান যার ওপর দাঁড়িয়ে দেবী মহিষাসুরকে বধ করেছেন।
মানসিংহ নাকি এই বিগ্রহ ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করে আজমগড়ের এক তিওয়ারি পরিবারকে সেবায়েত হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। ১৯৪৬ সালে সেই পরিবারের বংশধরেরাই কলকাতায় এসে পুনরায় সেবায়েত নিযুক্ত হন, এখনো তারাই দেবীর নিত্য সেবা করেন। এই ঢাকেশ্বরী দেবীর পূজা পদ্ধতিও বাংলার চিরপুরাতন পদ্ধতির চেয়ে আলাদা। মন্দিরের বর্তমান পুরোহিত শক্তিপ্রসাদ ঘোষাল জানালেন, শারদীয়া দুর্গাপূজার সময় দেবীর পূজা হয় উত্তর ভারতের নবরাত্রিক বিধি মেনে।
নাটমন্দির। সোর্স: লেখিকা

দেশভাগের বেদনাময় পরিণামের কারণেই ৮০০ বছরের পুরোনো ঢাকেশ্বরী দেবীকে কলকাতায় আসতে হয় এবং সেখানে আরোও একটি মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করতে হয়। দেবীকে যেভাবে অলংকারহীন এবং প্রায় বিবস্ত্র অবস্থায় লুকিয়ে আনা হয়েছিল, তার ছবিও কলকাতার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সংরক্ষিত আছে। তাই ঢাকার মতো কলকাতার ঢাকেশ্বরী মন্দিরটিরও ঐতিহাসিক গুরুত্ব কিছু কম নয়।
সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক এবং অন্যান্য নানা ক্ষেত্রের গণ্যমান্য মানুষের ভিড় লেগেই থাকে শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে। বহু ঘাত প্রতিঘাত, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগের ইতিহাস বুকে নিয়ে সেই মন্দির আজও সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমানে প্রতি বছর ধুমধামের সাথে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয় এই মন্দিরে।
মূল মন্দির এলাকার ভবনগুলো উজ্জ্বল হলুদাভ ও লাল বর্ণের। সোর্স: লেখিকা

মূল মন্দির প্রাঙ্গনের বাইরে মহানগর পুজামণ্ডপ অবস্থিত। এখানে দুর্গা পুজার স্থায়ী বেদি রয়েছে। মূল মন্দির এলাকার ভবনগুলো উজ্জ্বল হলুদাভ ও লাল বর্ণের। মূল মন্দির প্রাঙ্গণের উত্তর পশ্চিম কোণে রয়েছে চারটি শিব মন্দির। মূল মন্দিরটি পূর্বাংশে অবস্থিত।
ঢাকেশ্বরী মন্দির বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির হলেও বাংলাদেশের অন্যান্য অনেক মন্দিরের মতোই এটিরও স্থাবর সম্পত্তি বেহাত হয়েছে। মন্দিরের মোট ২০ বিঘা জমির মধ্যে ১৪ বিঘাই বেহাত হয়ে গিয়েছে। এই বেহাতের পেছনে রয়েছে দেশের সাম্প্রদায়িক মনোভাবসম্পন্ন একটি গোষ্ঠী যাদের মধ্যে সরকারী কর্মকর্তাও রয়েছে। বিভিন্ন সময় এই বেহাত হওয়া জায়গা পুনরুদ্ধারের জন্য দাবী জানানো হলেও কোনো সরকারই কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পরেই পাকিস্তানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয় এবং একচেটিয়া সংখ্যালঘু হিন্দু নিষ্পেষণ শুরু হয়।
১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার জরুরি ভূমি গ্রহণ আইন পাশের মাধ্যমে এবং ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পরে ১৯৬৯ সালে শত্রু সম্পত্তি আইন (বর্তমান নাম অর্পিত সম্পত্তি আইন) নামক কালা কানুন পাশ করে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জায়গা জমি দখলের রাস্তা প্রশস্ত হয়। এরপরে ১৯৭১ সালে এবং ১৯৯০ ও ১৯৯২ সালে বিভিন্ন সময়ে দফায় দফায় হিন্দুদের উপর সাম্প্রদায়িক নিষ্পেষণের কারনে মন্দিরের অনেক সেবায়েত এবং পুরোহিত দেশ ত্যাগে বাধ্য হন। যার ফলশ্রুতিতে এক শ্রেণীর অসাধু সরকারী কর্মকর্তার যোগসাজশে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জায়গা বেদখল হয়ে যায়।
মূল মন্দির প্রাঙ্গনের উত্তর পশ্চিম কোণে রয়েছে চারটি শিব মন্দির। সোর্স: লেখিকা

মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার। সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে অভিহিত। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের মূল ফটক দুইটি। এছাড়া মাঝখানে একটি  ফটক আছে। মূল ফটকের সোজাসুজি দূর্গা মার প্রতিমা। পাশের প্রবেশ গেটের প্রবেশ পথেই নাট মন্দির আর একটু এগোলেই পুকুর। পাশেই আরেকটি ভবন। এখানে ৪টি শিব মন্দির আছে এবং তার পাশেই সন্তোষী মাতার মন্দির, অনুভোগের স্থান, রান্নাঘর, ফল কাটার কক্ষ, জুতা রাখার স্থান এবং পূর্ব পাশের বিশাল ভবনটি প্রশাসনিক ভবন ও কোয়ার্টার অফিস কক্ষ, গেস্ট রুম/অতিথি কক্ষ, সভাকক্ষ, লাইব্রেরী, আনসার ক্যাম্প ও পাশেই পাবলিক টয়লেট এবং মেলাঙ্গন। শিব মন্দির ও নাট মন্দিরের উপর গম্বুজ আছে।
মন্দিরের প্রাক্তন সেবায়েতের আবক্ষ মূর্তি। সোর্স: লেখিকা

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের আরেকটি অন্যতম অংশ হলো এর ভেতরে অবস্থিত পুকুরটি, যা এখনও মন্দিরের শোভা বাড়ায়। প্রাচীন এই পুকুরটিতে পূণ্যার্থীরা স্নান করেন ও ভোগ দিয়ে থাকেন। পুকুরটির দু’পাশে বাঁধাই করা। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় মাছ আছে। অতীতের তুলনায় বর্তমানে মন্দিরটিকে আরও সুন্দরভাবে সাজানো ও সংস্কার করা হয়েছে। তার মধ্যে অভ্যন্তরীণ ফুলের বাগানটি অন্যতম উদাহরণ। নতুনভাবে নানা জাতের ফুলগাছ দিয়ে মন্দিরটির সৌন্দর্যকে আরও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
সব মিলিয়ে মন্দিরটি ঘুরে আমার বেশ ভালো লেগেছে। যেবার দুর্গাপূজার সময় এসেছিলাম, তখন ছিল লোকে লোকারণ্য। ঢাকের শব্দ হচ্ছিল ক্রমাগত। আলোর বন্যায় অপরূপ সাজে সেজেছিল মন্দিরটি। আর এবারে একদম সুনসান নীরব। অল্প কয়েকজন ধর্মপ্রাণ হিন্দু নারী-পুরুষ পুজো দিতে এসেছিলেন। তাদের আগ্রহী দৃষ্টি গায়ে মেখেই ঘুরে ঘুরে দেখেছি পুরো মন্দির।
মোমবাতি। সোর্স: মেহজাবিন

সাপ্তাহিক প্রার্থনার দিন

শুক্রবার – মা সন্তোষীর পূজা, সময়: সকাল ১০.০০ টায়।
শনিবার – শনি পূজা, সময়: সন্ধ্যা ৬.০০ টায়।
রবিবার – কীর্তন হরী সেবা, সময়: বিকেল ৫.০০ টা থেকে রাত ৯.০০ টা পর্যন্ত।
সোমবার – শিব পূজা, অন্যান্য, সময়: সকাল ৭.০০ টা থেকে রাত ৯.০০ টা পর্যন্ত।
মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার – দূর্গা মাতার অর্চনা, সময়: সকাল ৭.০০ টা থেকে রাত ৯.০০ টা পর্যন্ত।

দুর্গা পুজোয় দেবীমূর্তি। সোর্স: মেহজাবিন

প্রতিদিনের ধর্মীয় কার্যাবলীর সময়সূচি: উপরোল্লিখিত প্রতিদিনের ও সাপ্তাহিক প্রার্থনা ছাড়াও প্রতিদিন দূর্গা মার পূজা অর্চনা হয় এবং প্রত্যেকদিন সন্ধ্যা ৭.০০ টায় আরতি হয়। এছাড়া শিব পূজা ও নাট মন্দিরেও নানারকম পূজা হয়। বলা যায় ১২ মাসে ১৩ পূজা।

কীভাবে যাবেন:

ঢাকেশ্বরী মন্দির ঢাকা শহরের পলাশী ব্যারাক এলাকায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসসমূহের দক্ষিণে ঢাকেশ্বরী রোডে অবস্থিত। সলিমুল্লাহ হল থেকে আনুমানিক ১.৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঢাকেশ্বরী রোডের উত্তর পার্শ্বে একটি অনুচ্চ আবেষ্টনী প্রাচীরের মধ্যে মন্দিরটি অবস্থিত।
রাজধানীর মতিঝিল থেকে বাসে করে শাহবাগ নেমে রিক্সা যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত নান্দনিক এই মন্দিরে যাওয়া যায়। অবশ্য মতিঝিল থেকে সরাসরি রিক্সা বা সিএনজি চালিত অটো বা টেক্সি ক্যাবে যাওয়া যায়। মতিঝিল থেকে সরাসরি রিক্সাভাড়া হবে ৫০-৭৫, সিএনজি চালিত অটো বা টেক্সি ক্যাবে ১৫০-২২০ টাকা। মতিঝিল থেকে শাহবাগ বাস ভাড়া ১৫ টাকা এবং শাহবাগ থেকে রিক্সাভাড়া হবে ৩০-৪০ টাকা।
সোর্স: http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/durgaussab

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ দেখার গল্প

ট্রেকিং পোলের আদ্যোপান্ত